দেশে একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা হাজারের ঘর ছাড়ালো। যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। হাসপাতালেও খালি নেই কোন বেড। মেঝেতে বিছানা পেতেই চলছে রোগীদের চিকিৎসা।
পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাবার শঙ্কা জানিয়েছে চিকিৎসকরা।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ভর্তি হওয়া রোগীর ৯০ ভাগই ঢাকা দক্ষিণের বাসিন্দা।
দুই সিটি কর্পোরেশনই ঢাকঢোল পিটিয়ে মশা নিধনের কার্যক্রম হাতে নিলেও সেটি ডেঙ্গু বিস্তার ঠেকানোর ক্ষেত্রে কোন কাজেই আসছে না। বেড়েই চলেছে রোগীর সংখ্যা।
মুগদা হাসপাতালে গেলো ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছে ৫০ জন। রোগীদের বেশিরভাগই দক্ষিণ সিটি এলাকার বাসিন্দা।
রোগীর বাড়তি চাপে পা ফেলার জায়গা নেই হাসপাতালের ডেঙ্গু বিভাগে। বেড না পেয়ে ফ্লোরে বিছানা পেতেই চলছে চিকিৎসা।
মুগদা হাসপাতালে অক্টোবরের ২৩ তারিখ পর্যন্ত সাত জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। হাসপাতাল পরিচালক বলছেন,এবারের ডেঙ্গুতে খুব দ্রুতই রোগীদের প্লাটিলেট কমে যাচ্ছে।
তারা জানান, ডেঙ্গু জ্বর একবার নয়, কয়েক বার হতে পারে। যার একবার হয়েছে, দ্বিতীয় বার হলে কিন্তু তার সিভিয়ারিটি, ক্রিটিক্যাল ফেজ বা রিস্ক বেড়ে যায়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ১০ তলা নতুন ভবনে মেডিসিন রোগীর পাশাপাশি প্রতিদিনেই ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভর্তি নেয়া হচ্ছে।
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বরাদ্দ বেড খালি না থাকলেও ওয়ার্ডের ফ্লোরে, বারান্দায় ভর্তি নিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: একদিনেই এক হাজার ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে
তবে, হাসপাতালে যেভাবে রোগী বাড়ছে তাতে চাপ সামলানো কঠিন হবে বলে আশংকা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই পরিস্থিতিতে এরিমধ্যে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মহাখালীর কোভিড হাসপাতালকে ডেঙ্গু ডেডিকেটেড হাসপাতালে রূপান্তর করা হয়েছে।
একাত্তর/আরএ
