গেলো প্রায় পাঁচ মাস ধরে সরকারি ভাতা পাচ্ছেন না বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নন রেসিডেন্স কোর্সের প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী। উচ্চতর প্রশিক্ষণে থাকা এই চিকিৎসকরা বলছেন, সব কোর্সের ভাতা চালু থাকলেও কেবল নন রেসিডেন্স কোর্সের শিক্ষার্থীরা ভাতা বঞ্চিত হচ্ছেন।
তারা জানান, নিয়ম অনুযায়ী কোর্স চলাকালীন কোনো চাকরিতে যুক্ত হতে না পারায় অনেকেই মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
তবে উপাচার্য জানিয়েছেন, চলমান কোর্সের শিক্ষার্থীদের ভাতা পরিশোধের চেষ্টা চলছে।
জানা গেছে, এমবিবিএস পাশ করা চিকিৎসকদের উচ্চ শিক্ষার জন্য দেশে মোট তিন ধরণের পোস্ট গ্রাজুয়েট কোর্স আছে। তার মধ্যে পাঁচ বছরের এফসিপিএস ও রেসিডেন্সি কোর্স এবং দুই বছরের নন রেসিডেন্সি কোর্স।
একমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়েই এই উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু নিয়ম হলো- কোর্স কালীন এই শিক্ষার্থীরা কোথাও চাকরি করতে পারেন না। ফলে এ সময়ে তাদের আয়ের কোনো পথ থাকেনা। তাই তাদের একটি মাসিক ভাতা দেয় সরকার।
কিন্তু সবাই এই ভাতা পেলেও গেলো প্রায় ৫ মাস ধরে দুই বছর মেয়াদী নন রেসিডেন্সি কোর্সের প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী ভাতা পাচ্ছেন না। করোনাকালে মাত্র দুই বছর তারা এই ভাতা পেয়েছেন। কিন্তু ২০২১-২৩ সেশনের শিক্ষার্থীরা আর এই ভাতা পাননি।
নন-রেসিডেন্সি কয়েকজন চিকিৎসক জানান, কোর্সের অংশ হিসেবে তারা সরকারি হাসপাতালে রোগীদের সেবা দিয়েও ভাতা বঞ্চিত হচ্ছেন। আর্থিক সঙ্কটে তাদের অনেকেই মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
আরও পড়ুন: সেকেন্ড রাউন্ডে ফ্রান্সের মুখে পড়লে কী হবে আর্জেন্টিনার?
বিষয়টি স্বীকার করে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বিষয়টি সিন্ডিকেটে অনুমোদন হলেও বাজেট ঘাটতির কারণে আটকে আছে। এ ব্যাপারে সরকারের সঙ্গে কথা বলবো।
তিনি জানান, চলমান সেশনের নন রেসিডেন্সি কোর্সের শিক্ষার্থীরা ভাতাটি পেলেও এই কোর্সের ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীরা সেটি পাবেন কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা আছে।
একাত্তর/এসি
