রাজধানীসহ সারাদেশের সিটি কর্পোরেশন এলাকায় দরিদ্রদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু এদের বেশিরভাগ কাজহয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে। কিন্তু এর সাথে সমন্বয় নেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় তৈরি হলে বাড়ানোযাবে সেবার মান। এতে করে দরিদ্র জনগোষ্ঠির নূন্যতম স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা যাবে।চিকিৎসা ব্যয় কমানো যাবে। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপরও চাপ কমে আসবে।
গত এক দশকে দেশের স্বাস্থ্য খাতে অগ্রগতি চোখ পড়ার মতো। ওয়ার্ডে কমিউনিটিক্লিনিক থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলায় সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসা-শিক্ষাকেন্দ্র,হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চিকিৎসকের চেম্বার গড়ে উঠেছে।
তবে দরিদ্র মানুষের জন্য সুবিধা সেই অর্থে বাড়েনি। দেশের সিটি কর্পোরেশনএলাকাগুলোতে স্বল্প মূল্যে দরিদ্রদের স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে আসছে নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো।লাল কার্ডধারীদের জন্য বিনামূল্যে ও সাধারণ মানুষের জন্য মাত্র ৫০ টাকায় মিলছে যে কোনস্বাস্থ্যসেবা।
নিরাপদ প্রসব বা সিজার অপারেশন, প্রজনন স্বাস্থ্য, বয়ঃসন্ধিকালীনস্বাস্থ্যসেবা, সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রন ও সাধারন রোগ নিরাময়ের সেবা দিয়ে আসছে এইপ্রতিষ্ঠানগুলো। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর বেশিরভাগই স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকল্পেরঅধীনে বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
কিন্তু স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজের বিষয় হলেও এ সম্পর্কে কিছুই জানেনা স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়। কখন কোন স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু হচ্ছে বা অনুদানের অভাবে বন্ধহচ্ছে সেটিও জানে না স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়। তাই এসব কেন্দ্রগুলোর সাথে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়কেওযুক্ত করার আহবান জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন: একই ধান থেকে দুই দফায় লাভ করছে মিল মালিকরা
নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সাথে মন্ত্রনালয়ের সমন্বয় না থাকার বিষয়টিস্বীকার করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, এই ক্লিনিকগুলোর স্বাস্থ্য সেবার বিষয়টিগুরুত্বপূর্ণ। তাই সমন্বয়টাও জরুরি।
ঢাকায় নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মতো শত শত ক্লিনিক রয়েছে। যারা প্রান্তিকমানুষের স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে আসছে। দেশের সব সিটি এলাকায় এমন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সেবানিচ্ছে প্রায় ৬ কোটি মানুষ।
একাত্তর/এসজে
