রোজার আগেই রাজধানীর বাজারে বাড়তে শুরু করেছে ইফতার পণ্যের দাম। ঢাকার বাজারে ইফতারের শরবতের অতিগুরুত্বপূর্ণ অনুসঙ্গ লেবু এখন সর্বনিম্ন ৪০ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে।
আর একটু ভালো মানের লেবু কিনতে ভোক্তাদের গুনতে হচ্ছে হালিতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। কাঁচা মরিচের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বাড়ছে বেগুনের দাম।
প্রতিটি সবজিই পাইকারি ও খুচরা বাজারের দামে বিস্তর ফারাক। আর দাম বাড়ার পেছনে যথারীতি সেই পুরনো অজুহাত, পণ্যের সরবরাহ কম। যদিও বাজার বলছে ভিন্ন কথা।
রোজা আসার বেশ আগেই এবার মাছ-মাংসের বাজার চড়েছে। ডিমের দাম একটু কমে এলেও শীতের সবজির সরবরাহ কমতে থাকায় সবজির বাজারও বাড়তি।
নিত্যপণ্যের বাজার বেশ কয়েক মাস ধরে উচ্চমূল্যে স্থিতিশীল হয়ে আছে। ফলে ক্রেতার জন্য বাজার নিয়ে স্বস্তির কোনো খবর নেই। শুধুই দাম বাড়ার খবর।
ঢাকার খুচরা বাজারে এক হালি লেবু এখন সর্বনিম্ন ৪০ টাকায় পাওয়া গেলেও তা মানে খুব একটা ভালো না। মান ভাল চাইলে গুনতে হবে ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত।
পাইকারি ও খুচরা দামের তারতম্যে কিছুটা ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে কাঁচামরিচের দামে। পাইকারিতে ভালো মানের মরিচের দাম ৬০ টাকা হলেও খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা পর্যন্ত।
খুচরা দোকানিদের দাবি পাইকারিতে কম দামে কিনলেও দোকান পর্যন্ত পৌঁছনো থেকে শুরু করে দোকানের খরচ উঠাতে হলে বেশি দামে বিক্রি করা ছাড়া উপায় নেই তাদের।

তবে দোকানিরা বলছেন মৌসুম ইফতারের পণ্য বেগুন আর শশার দাম বেড়েই চলছে । বাজারে পর্যাপ্ত সরবারহ আছে তারপরও বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
আরও পড়ুন: মরদেহ উদ্ধারে পদক পেলো র্যাবের কুকুর
বেগুনের মতোই শশার দামও বাগতে শুরু করেছে। বাজারে নতুন শশা উঠতে শুরু করলেও প্রতিদিনই বাড়ছে এর দাম। কেজিতে ৫-১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়।
বিক্রেতারা জানান, রমজানে সালাদের জন্য ব্যবহৃত টমেটো, শসা, গাজর, লেবু ও কাঁচামরিচের দাম আরও কিছুটা বাড়তে পারে।
তাদের মতে, কৃষকের উৎপাদন খরচ বেড়েছে, পরিবহন খরচ বেশি, এর মধ্যে মৌসুমি সবজি আসছে কম। তাতে বাজার একটু চড়েছে। রোজার প্রথম দিকেও বাজার এমনই থাকবে।
একাত্তর/এসি
