এপেক্সের ঈদ আয়োজনে বড়ো চমক

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম

ঈদ মানেই নতুন পোশাকের সঙ্গে মানানসই জুতার এক অন্যরকম সমীকরণ। সেই সমীকরণ মেলাতে এবং ঈদের আনন্দকে আরও রাঙাতে এবার বড়ো চমক নিয়ে এসেছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড। ১৯ বছর পর দেশের জনপ্রিয় দুই তারকা জয়া আহসান ও জিয়াউল ফারুক অপূর্বকে আবারও এক ফ্রেমে ফিরিয়ে এনে শুরু হয়েছে এপেক্সের বিশেষ ঈদ ক্যাম্পেইন— ‘স্টাইলে No.1, ঈদ ট্রেন্ডে ফ্যামিলি ফান’।

এবারের ঈদ সেলিব্রেশনে এপেক্সের মূল আকর্ষণ হলো পুরো পরিবারের জন্য ‘ম্যাচিং ঈদ কালেকশন’। ছোট-বড়ো সবার জন্য হাজারো ট্রেন্ডি ডিজাইনের সমাহার নিয়ে এপেক্স এখন একটি ‘কমপ্লিট শপিং ডেসটিনেশন’। ঈদ ড্রেসের সঙ্গে মানানসই সেরা হিলস বা জুতা খুঁজে নিতে মেয়েদের জন্য রয়েছে বিশাল ‘লেডিস রেঞ্জ’। নতুন হাজারো কালেকশন সাজানো হয়েছে স্টাইল, আরাম এবং বর্তমান ট্রেন্ডের কথা মাথায় রেখে।

শুধু বড়দের জন্যই নয়, প্রতিটি স্টোর সাজানো হয়েছে সব বয়সের মানুষের উপযোগী জুতা ও এক্সেসরিজ দিয়ে।

ছোটদের দুরন্ত পায়ের কথা ভেবে থাকছে কালারফুল ও কমফোর্টেবল কালেকশন। বড়োদের জন্য ফরমাল লেদার জুতা থেকে শুরু করে সব বয়সের জন্য আরামদায়ক স্যান্ডেল।

এক কথায়, এক ছাদের নিচেই মিলছে পুরো পরিবারের স্টাইল সল্যুশন। নিজের জন্য কেনাকাটা হোক কিংবা প্রিয়জনকে উপহার দেওয়া—এপেক্সের সাথে প্রতিটি পরিবারই হয়ে উঠবে স্টাইলে ‘নং ১’।

এপেক্সের এই ক্যাম্পেইনের সবচেয়ে বড়ো চমক দীর্ঘ ১৯ বছর পর জয়া আহসান ও অপূর্বর একসঙ্গে ফেরা। এই দুই তারকার উপস্থিতিতেই শুরু হয়েছে এপেক্সের এবারের ঈদ উদযাপন। ঈদ আমেজে স্টাইল আর কমফোর্টের সমন্বয়ে এপেক্স সবসময়ই গ্রাহকদের প্রথম পছন্দ।

একাত্তর/এসি
আড়াই লাখ টাকা দামের শেরওয়ানি, তিন লাখ টাকার লেহেঙ্গা কিংবা ১৮ হাজার টাকায় বাচ্চাদের একটি পোশাক। ঈদের বাজারে ব্যয়বহুল এসব পোশাকের ক্রেতাও কম নয়।বিদেশি ডিজাইনারদের তৈরি করা এসব পোশাক মিলছে গুলশান...
বিএনপি উন্নয়নের কথা বলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে এবং সংস্কারের কথা শুনলেই দলটির ‘গায়ে আগুন লেগে যায়’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা। 
ভারতের জাতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা নিট-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে উত্তাল আন্দোলনের মধ্যে অনশনরত বিশিষ্ট সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে হাসপাতালে বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা।...
দেশের টেক্সটাইল বা বস্ত্র খাতের বিদ্যমান নানা সমস্যা দ্রুত সমাধানের লক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আইন সংশোধনের বিষয়টা আইনগত ব্যাপার। আমরা প্রস্তাব পাঠাবো স্থানীয় সরকার বিভাগকে। স্থানীয় সরকার বিভাগ যদি আমাদের প্রস্তাব উপযুক্ত মনে করেন তাহলে তারা সেভাবে ব্যবস্থা নিবেন।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর