বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হলে বাংলাদেশকে ভিসা নিষেধাজ্ঞায় পড়তে হতো না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতারা।
বৃহস্পতিবার আমিনবাজারে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীকে দেশে ফিরে দ্রুত পদত্যাগের আহবান জানান তারা। দেশের টাকা যারা বিদেশে পাচার করেছে, তারা আর সেই টাকার মুখ দেখতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তারা।
পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় দিনক্ষণ পিছিয়ে আমিন বাজারেই এই সমাবেশ করলো ঢাকা জেলা বিএনপি। সোমবার আমিনবাজারে এই সমাবেশ করতে চেয়েছিলো বিএনপি। তবে পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় সেদিন সমাবেশ স্থগিত করা হয়।
গরম আর মাঠ ভর্তি বালু থাকায় সমাবেশ স্থলে বেশিক্ষন অবস্থান করতে পারেননি বিএনপির নেতাকর্মীরা। মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দিলেও তারা আশ্রয় নেন বিভিন্ন ভবন ও গাছের ছায়ায়।
সমাবেশে বিএনপির নেতারা প্রশ্ন রাখেন ওয়াশিংটনে কি করছেন প্রধানমন্ত্রী।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর ওয়াশিংটনে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘে কাজ শেষ হয়ে গেছে। বক্তব্য শেষ হয়ে গেছে। বিশ্বের সব নেতারা বাড়ি চলে গেছে। আমাদের অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনে বসে আছে। এখনও চেষ্টা চালাচ্ছেন, হাতে-পায়ে ধরে কিছু করা যায় কিনা। আমি বলছি, কোনো কাজ হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, পদত্যাগ করতে হবে। শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার যদি কোনো সম্ভাবনা থাকতো, তাহলেতো ভিসা নিষেধাজ্ঞা আসার দরকার ছিলো না। কথাগুলো বলার দরকার ছিলো না। তারা পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছে। নিষেধাজ্হো দেশের বাইরে, নিষেধাজ্ঞা দেশের ভেতরেও। যাওয়ার কোনো পথ নেই।’
বিএনপি নেতারা বলেন, দেশের জনগন ও গণতান্ত্রিক বিশ্ব এখন এক সাথে বলছে, এই সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন হবে না। তার কারন ২০১৪ ও ১৮ র নির্বাচন।
দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, ‘আমাদের রিজার্ভ শূন্য হয়ে গেছে। যেখানে আমাদের ডলার সঙ্কট। সেই সশয় তিনি বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।’
যে হাত দিয়ে ভোট কারচুপির চেষ্টা হবে সেই হাত এবার রেহাই পাবে না বলে হুশিয়ার করেন বিএনপির নেতারা। যারা দেশের টাকা বিদেশে পাচার করেছে সেই টাকার মুখ তারা আর দেখতে পাবে না বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি নেতারা ।
এবার খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি চেয়ে আবেদন
খালেদার স্থায়ী মুক্তি চেয়ে করা আবেদন এখন আইন মন্ত্রণালয়ে