অবরোধ কর্মসূচির সমর্থনে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাকর্মীরা। মিছিল শেষে এক সমাবেশে নেতারা জানিয়েছেন, নতুন কর্মসূচি আসছে, সরকার যত চেষ্টা করুক শেষ রক্ষা হবে না।
সোমবার বেলা ১১টায় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে মিছিল বের করে গণসংহতি আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। সোয়া ১১টায় একই স্থান থেকে মিছিল বের করে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের নেতাকর্মীরা।
এসময় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার কথা জানান দলটির নেতারা। সাড়ে ১১টায় তোপখানা রোড থেকে অবরোধের সমর্থনে মিছিল বের করে পল্টন এলাকা প্রদক্ষিণ করে নাগরিক ঐক্য। এরপরই প্রেসক্লাবের সামনে থেকে মিছিল করে গণতন্ত্র মঞ্চ। মিছিলটি পুরানা পল্টন, বিজয়নগর কালভার্ট রোড হয়ে আবারও প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।
মিছিল শেষে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, সরকার জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। সরকার যত চেষ্টা করুক, শান্তি কমিটি করে তাদের আর শেষ রক্ষা হবে না।
সরকারের মন্ত্রীরা প্রলাপ বকছে, কাজ হবে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, সিইসি স্বীকার করেছেন নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ নেই। তাই কমিশনের প্রতি আহবান জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নীল নকশার নির্বাচনের সহযোগী হবেন না। সুষ্ঠু নির্বাচনের মানুষ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে, ধৈর্যের বাঁধ ভাঙবেন না।
তিনি বলেন, গণজাগরণ গণঅভ্যুত্থানের পথে হাঁটছে। মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে সরকারকে বিদায় দেবে। সরকারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, আওয়ামী লীগ নিজেরা সহিংসতা করে বিরোধী জোটের ওপর দায় চাপিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন নস্যাৎ করার চেষ্টা করছে। সরকার এজেন্ট দিয়ে সব অপকর্ম করছে তা ধরে ফেলেছে মানুষ, এবার আর মানুষ বিভ্রান্ত হবে না।
গণজাগরণের মধ্যদিয়ে গণঅভ্যুত্থানের জন্য মানুষ প্রস্তুত হচ্ছে। সরকারের পতনে নিশ্চিত।
এক তরফা নির্বাচনের চেষ্টা থেকে সরে আসতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, নয়তো জনগণে আদালতে বিচার হবে।
নতুন কর্মসূচি আসছে জানিয়ে তিনি সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি উপেক্ষা করে রাজপথে নামার আহবান জানান।
দ্বিতীয় দফা অবরোধের ৩০ ঘণ্টায় ১৮ যানবাহনে আগুন