বিএনপির নির্বাচনের বিরুদ্ধে প্রচারকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
রোববার সচিবালয়ের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘শুরু থেকেই তারা নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছে। এখন যে প্রচারনা চালাচ্ছে তার ওপর নজর রাখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বড় আকারে হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশ পণ্ড হওয়ার থেকে সরকার পতন ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে ভোটের দাবিতে কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি-জামায়াতসহ সমমনা দলগুলো। চার দফায় পাঁচ দিন হরতাল এবং ১২ দফায় ২৩ দিন অবরোধ করেছে বিএনপি। আর এসব কর্মসূচিতে যানবাহনে আগুন দেয়া হচ্ছে। কয়েক দফা অবরোধ-হরতালের পর ‘অসহযোগ’ আন্দোলনের ঘোষণা দেয় দলটি।
ভোট বর্জনে অসহযোগের ডাক দিয়ে তৃতীয় দফায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণের কর্মসূচি চালাচ্ছে দলটি।
শনিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, বিএনপি যদি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালায় তবে ভোটে কোনো চ্যালেঞ্জ নয়। তারা সহিসংতা করলে তা ঠেকানোর প্রস্তুতি ইসির রয়েছে।
শনিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপির এবার গুপ্তহত্যার চক্রান্ত করছে।
নির্বাচনকে ঘিরে একাধিক মন্ত্রী বড় ধরনের নাশকতা ও গুপ্ত হত্যার আশঙ্কা করছেন- এই প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারি আছে। এ ধরনের কিছু করতে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগেভাগেই ব্যবস্থা নেবে।
বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রতিবেদন সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, অতীতেও দেখা গেছে এ ধরনের বিদেশি প্রতিষ্ঠানের রিপোর্টের সত্যতা নেই। এ ক্ষেত্রে দেশের মানবাধিকার কমিশনের তথ্যই গুরুত্বপূর্ণ।
পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়, কিন্তু প্রমাণ করতেই হবে: সিইসি