দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া। তার বিদেশ যাওয়ায় দলের ভেতরে ও বাইরে স্বস্তি যেমন আছে তেমনি আছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠাও। যদিও বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, দলটির শীর্ষ দুই নেতার অনুপস্থিতিতে ভীত হবার কোনো কারণ নেই। ষড়যন্ত্র করার মতো কোন শক্তি এই মুহূর্তে দেশে নেই বলেও মনে করেন তারা।
সমর্থন থাকার পরেও অন্তর্বর্তী সরকার যেহেতু সফলতা দেখাতে পারছে না তাই দ্রুত নির্বাচন দেয়ার আহবানও জানান বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার দাবি দীর্ঘদিনের। অবশেষে সে অপেক্ষার অবসান হয়েছে। বুধবার লন্ডনে গেছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। প্রায় সাড়ে সাত বছর পর দেখা পেয়েছেন বড় ছেলে তারেক রহমানের।
এই সংকটকালীন সময়ে দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের শীর্ষ দুই নেতার অনুপস্থিতি কেমন পরিস্থিতি তৈরি হবে তা নিয়ে রাজনীতিসহ প্রায় সব মহলেই চলছে নানা বিচার বিশ্লেষণ।
তবে এখনি উদ্বেগের কোনো কারণ দেখছেন না বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। ষড়যন্ত্র করার মতো দৃশ্যমান কোনো শক্তি আপাতত দেশে নেই বলেও মনে করেন তারা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সার্বিক পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়া নিয়ে রাজনৈতিক কোনো উদ্বেগের সুযোগ আছে বলে মনে করেন না।
তিনি বলেন, চিকিৎসা শেষে সুস্থভাবে ফিরে এসে বেগম খালেদা জিয়া বিএনপি ও দেশের নেতৃত্ব দিবেন। এ নিয়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠার কোনো কিছু নেই। তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে জনগণের মধ্যে ফিরে আসুন এটাই আমাদের চাওয়া। দেশবাসীর কাছে আমরা এ দোয়াই চাইছি।
অন্তর্বর্তী সরকার যোগ্যভাবে দেশ পরিচালনা করলে তাতে আপত্তি নেই বিএনপির। যদিও সফলতা না থাকলে তারাই নির্বাচনের বিষয়ে উপলব্ধি করবে বলেও আশা করেন বিএনপির নীতি নির্ধারকরা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, তারেক রহমান এখন পরিণত রাজনীতিবিদ মন্তব্য করে বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শেষে মা-ছেলে একসাথে দেশে ফিরবেন এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
লন্ডন ক্লিনিকে খালেদা জিয়া