বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালের আগে আহমেদাবাদের মোতেরা পরিণত হয় জনসমুদ্রে। হাজার হাজার ক্রিকেটপ্রেমীর গায়ে টিম ইন্ডিয়ার জার্সি। সবার গন্তব্য নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম। খেলা শুরুর বহু আগে কানায় কানায় ভরে উঠে গ্যালারি, যেন আকাশ-নীলের সমুদ্র।
বেলা আড়াইটা থেকে ম্যাচ শুরু হবার কথা থাকলেও সকাল ৯টা থেকেই স্টেডিয়াম চত্বর লোকে লোকারণ্য। ঠাসা। যেন আহমেদাবাদের সব মানুষ গিয়েই ভিড় জমিয়েছে মতেরায়। চারিদিকে হাজার হাজার রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি। যেদিকেই চোখ যায়, শুধুই দুই তারকার জার্সিধারীরা।
গালে তেরঙ্গা, গায়ে জার্সি, নানা পোস্টার। সবার একটাই বার্তা- প্রতিশোধ নিতে হবে ২০০৩ সালের। অসি বধেই ক্ষান্ত হবেন তারা। দেখা গেছে রোহিত শর্মার ডুপ্লিকেটেরও। দূর থেকে দেখে একেবারে রোহিত মনে হবে। হিটম্যানের হাতে ট্রফি দেখতে পাশের রাজ্য থেকে ছুটে এসেছেন সেই নকল রোহিত।
শচীন তেন্ডুলকার বিশ্বকাপ নিয়ে মাঠে প্রবেশ করতেই ১৪০ ডেসিবেলে চিৎকার। উত্তাল হয়ে যায় গ্যালারি। ম্যাচ শুরুর আগে কোহলিকে জার্সি উপহার দেন শচীন। ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে এই জার্সি পড়েই খেলেছিলেন তিনি । জার্সি নিয়ে ছবিও তুলতে দেখা যায় বিরাটকে।

তবে ভারতের ব্যাটিংয়ের সময় নিরাপত্তার বেষ্টনী টপকে মাঠে প্রবেশ করেন এক সমর্থক। নরেন্দ্র মোদি আসবে বলে নিরাপত্তার মোড়কে মোড়া স্টেডিয়াম। তিন ধাপ নিরাপত্তার বেড়া টপকে তারপরই ঢুকতে হয় গ্যালারি। কিন্তু অনায়াসেই এক নেপালি সমর্থক ঢুকে পড়লেন মাঠে।
সাদা টি শার্ট, লাল হাফ প্যান্ট। হাতে ফিলিস্তিনের পতাকা। জার্সিতে লেখা, ‘স্টপ বোম্বিং ফিলিস্তিন’। ঢুকেই বিরাট কোহলিকে জড়িয়ে ধরেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা রক্ষীরা তাঁকে মাঠ থেকে বের করে দেয়। পরে বলা হয় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাকে। এই একটি ঘটনা ছাড়া জমজমাট বিশ্বকাপের ফাইনাল।
বিশ্বকাপ জয়ে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ২৪১