সাকিবের সঙ্গে একমত হলেন তামিম ইকবাল খানও। ভারতের বিপক্ষে টস জিতে নিতে হতো ব্যাটিং! আফগানিস্তান যেন বাংলাদেশকে শেখালো টি-টোয়েন্টি ব্রান্ডিংয়ের ব্যাটিং। তবে এখনো খোলা আছে টাইগারদের সেমিফাইনালে যাবার পথ। যদিও সেটার জন্য হতে হবে অবিশ্বাস্য কিছু!
২০২৩ সালে ওয়াংখেড়েতে ম্যাক্সওয়েলের সেই অবিশ্বাস্য ইনিংসের কথা মনে আছে! অতিমানবীয় এক ইনিংসে চাপা পড়েছিলো আফগানদের কান্না। ২০২৪ বিশ্বকাপে সেই প্রতিশোধ নিলো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি! মাইটি অস্ট্রেলিয়াকে সুপার এইটে হারিয়ে বাংলাদেশকে শেখালো টি-টোয়েন্টি কীভাবে খেলতে হয়!
ক্রিকেটের ক্ষুদ্র ফরম্যাট প্রায় দুই দশক খেললেও টাইগাররা যেন এখনো দুধের শিশু! টসে জিতে কী করতে হবে সেটাই বুঝতে পারে না! নতুবা ভারতের বিখ্যাত ব্যাটিং লাইনআপকে কীভাবে আগে ব্যাট করতে পাঠায়! বড় রান তাড়া করার মত ব্যাটার বাংলায় আছে কি?
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মলনেও তাই টস জিতে ব্যাটিং নেয়ার পক্ষে ছিলেন সাকিব। তিনি বলেন, আমাকে যদি জিজ্ঞেস করেন, ক্যারিবিয়ানে একটা বা দুটি ম্যাচেই দলগুলো টসে জিতে পরে ব্যাটিং করেছে। ইংল্যান্ড মনে হয় একটা ম্যাচে ১৮০ চেজ করেছে। নইলে প্রথমে ব্যাটিং করাটাই নিয়ম, দলগুলো এতে সফলও হচ্ছে।
সাকিব আরও যোগ করেন, এটা মনে রাখলে হয়তো প্রথমে ব্যাটিং করলেই ভালো হতো। তবে অধিনায়ক ও কোচ হয়তো ভেবেছেন, ওদের মোটামুটি একটা রানে আটকে রাখতে পারলে কাজটা সহজ হবে। তাই টস জিতে বোলিং নিয়েছে।
সাকিবের সঙ্গে একমত হয়েছে এক সময়ের বন্ধু তামিম। ম্যাচের পর ক্রিকইনফোর এক শো তে বলেন, টস জিতে বোলিং নেয়াটাই শুরুতেই বাংলাদেশকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে। যেখান থেকে আর ওঠার উপায় পায়নি বাংলাদেশ। সুপার এইটের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে আসর থেকে বিদায়ের পথে!
তবে, এখনো বাংলাদেশের সুযোগ আছে সেমিতে খেলার। সেজন্য করতে হবে অবিশ্বাস্য কিছু! সঙ্গে থাকতে হবে যদি কিন্তু আর অনেক সমীকরণ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে বিশাল ব্যবধানে জিততে হবে। সঙ্গে ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়ার হারতে হবে।
তাহলেই কেবল রান রেটে আফগানিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে এগিয়ে থাকবে বাংলা। তবে এসব আকাশকুসুম সমীকরণে সাক্সেস আসবে না! সাক্সেস আসবে কেবল হাড়ভাঙা খাটুনি, ডিটারমিনেশন আর ডেডিকেশনে! এই জিনিস টাইগাররা বুঝবে আর কত শিক্ষা সফর শেষ হলে!
ভারতের কাছে ৫০ রানের হার টাইগারদের