নোয়াখালীতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনার জড়িত থাকার অভিযোগে ও কুমিল্লার ঘটনায় উস্কানিমূলক বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করার অভিযোগে আরো ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
নতুন আটককৃতদের নিয়ে চৌমুহনীতে সহিংস ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ মামলায় ১৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো এবং জেলায় ২৬টি মামলায় গ্রেপ্তার হলেন ১৯২ জন।
সোমবার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার সময় নোয়াখালী পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের চার নেতা ও জামায়াত সমর্থিত সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যান রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নোয়াখালী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ফয়সাল ইনাম কমল (৩৯), বীজবাগ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা হারুন অর রশীদ (৪৮), জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রায়হান (৩৮), পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়ণ বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ফয়সাল বারী চৌধুরী (৪৫), পূর্ব চর মটুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য সচিব বেলায়েত হোসেন (২৬), বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাউদ্দিন (২৮), একই উপজেলার ফজলুল করিম সুমন (৩২), আবদুল বাকী শামীম, কোম্পানীগঞ্জের মিন্টু (২৩), চাটখিলের পারভেজ হোসেন (২৯), সোনাইমুড়ীর আব্দুল বারেক (৫৫)।
আরও পড়ুন: ইজিবাইক ছিনতাই করতে চালককে গলা কেটে হত্যা
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম জানান, ফয়সাল ইনাম কমলকে কুমিল্লার জেলার পূজা মণ্ডপে কোরআন শরীফ রাখার ভিডিও আপলোড করাসহ অন্যান্য উস্কানিমূলক পোষ্ট তার ফেসবুকে পোষ্ট করে এবং বিভিন্নজনকে শেয়ার করায় তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সে সহ অন্যান্য আসামিকে রুজুকৃত বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিচারিক আদালতে সোপর্দ করা হবে।
একাত্তর/আরএ
