করোনায় আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর সঙ্গে বাড়লো শনাক্তের সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও সাতজন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ২৭ হাজার ৮৮০। এদিন নতুন করে করোনায় শনাক্ত হয়েছেন ২৫৬ জন। দৈনিক শনাক্তের হার এক দশমিক ৩১। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) করোনায় তিনজনের মৃত্যু ও ২২৯ জন শনাক্তের খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বুধবার (৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা বিষয়ক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, এদিন অ্যান্টিজেনসহ ১৯ হাজার ৫২৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। দেশে এখন পর্যন্ত করোনায় শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৭০ হাজার ২৩৮ জন। মোট শনাক্তের গড় ১৫.০৯।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২৩৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং মৃত্যু হার এক দশমিক ৭৮ শতাংশ।
এদিন করোনায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ পাঁচ জন এবং দুই নারী রয়েছেন। তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে চার জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে তিনজন মারা গেছেন।
মারা যাওয়াদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে রয়েছেন একজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে দুই জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে একজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে একজন এবং ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দুই জন রয়েছেন।
বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে তিন জন, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেট বিভাগে একজন করে রয়েছেন।
আরও পড়ুন: সিআইডির রিভিউ আবেদন নাকচ, রিমান্ডে নয় জেলে যাচ্ছে ইকবালরা
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। গত ৩১ অগাস্ট তা ১৫ লাখ পেরিয়ে যায়। এর আগে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।
প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১৪ সেপ্টেম্বর তা ২৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তার আগে পাঁচ অগাস্ট ও ১০ অগাস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে, যা মহামারীর মধ্যে এক দিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা।
একাত্তর/এসি
