জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে গণপরিবহনের ভাড়া নতুন করে সমন্বয় করা হলেও, তার চাইতে বেশি আদায়ের অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন নগরের যাত্রীরা।
শুধু তাই নয়, নতুন ভাড়া সিএনজিচালিত কোন পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না হলেও, সেটিও মানা হচ্ছে না। সিএনজিচালিত বাসও নতুন ভাড়া আদায় করে নিচ্ছে যাত্রীদের কাজ থেকে।
বাস চালক ও শ্রমিকরা যাতে অতিরিক্ত ভাড়া না নিতে পারে, সে জন্যে মনিটরিং করার কথা বললেও, মাঠ পর্যায়ে সে রকম কোন দল দেখা যায়নি।
চট্টগ্রাম নগরীর নিউ মার্কেট মোড় থেকে জিইসি পর্যন্ত তিন কিলোমিটারের বাস ভাড়া ছিল পাঁচ টাকা। নতুন ভাড়া অনুযায়ী সে ভাড়া হওয়ার কথা সাড়ে ছয় টাকা।
অথচ সেখানে ভাড়া নেয়া হচ্ছে ১০ টাকা। একই ভাবে নিউমার্কেট থেকে ফ্রিপোর্টের ১০ টাকা ভাড়া বেড়ে হয়েছে ১৫ টাকা।
যাত্রীরা আরো অভিযোগ করেন গ্যাস চালিত পরিবহনগুলোও ভাড়া বেশি নিচ্ছে। এনিয়ে কোন নজরদারি নেই প্রশাসনের।
যদিও বাস মালিক সংগঠনের নেতারা বলছেন, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে যাতে বেশি ভাড়া নিতে না পারে সে জন্যে মনিটরিং করছে চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহণ মালিক গ্রুপ।
আরও পড়ুন: ফেরি শাহ আমানত পানিতে ভাসতে আরো দু’একদিন
রাজশাহীর অভ্যন্তরীন ও দূলপাল্লার যানবাহনেরও ভাড়া বেড়েছে। রাজশাহী-ঢাকা নন-এসি বাসের টিকেটে ভাড়া বেড়েছে ১২০ টাকা। আর এসি বাসে ভাড়া বেড়েছে ২০০ টাকা। এছাড়া অভ্যন্তরীর রুটে ভাড়া বেড়েছে গড়ে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ।
সিলেটে ডিজেল চালিত বাস এর পাশাপাশি পেট্রোল ও সিএনজি চালিত বাস-মিনিবাসেরও ভাড়া বেড়েছে। বিভিন্ন রুটে বাস-মিনিবাসে ২০ থেকে ২৭ শতাংশ ভাড়া বাড়িয়েছে চালকরা।
যশোর থেকে দূরপাল্লাসহ ২১ রুটের পরিবহন শ্রমিকরা ইচ্ছে মত ভাড়া নিচ্ছে যাত্রীদের কাছ থেকে। তারা বলেছেন, মালিকদের কোন সিদ্ধান্ত না আসায় তারা বেশি ভাড়া আদায় করছেন।
একাত্তর/আরএইচ
