'৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে এককভাবে নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাবি'

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০১ এএম

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কোনো সময়ই অন্যায়ের পক্ষে ছিল না। আমি মনে করি, এটাই হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় অর্জন। 

শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিনের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আলোচনা সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর, ঢাবির বঙ্গবন্ধু চেয়ার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন- জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, পল্পী-কর্ম ফাউন্ডেশন ড. খালেকুজ্জামান আহমেদ, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক রহমত উল্লাহ।

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও হয়ত আরও পরে হতো। এই গণঅভ্যুত্থানে এককভাবে নেতৃত্ব দিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশ সৃষ্টির যে আলোকবর্তিকা প্রজ্বলিত হয়েছিল সেই কৃতিত্বের সিংহভাগেরই দাবিদার আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

আজকে বাংলাদেশের ইতিহাস লিখতে হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান এককভাবে পঞ্চাশ ভাগের বেশি। সুতরাং আমরা বলতে পারি স্বাধীনতা পূর্বকালীন এবং স্বাধীনতার স্বপ্নপূরণসহ যা কিছু বলেন তার একক কৃতিত্বের দাবিদার, অংশীদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় যেমন ভালো কাজ করেছে, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ই আবার বঙ্গবন্ধুকে বহিষ্কার করেছিল। তার অপরাধ তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছিলেন, আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। যখন বহিষ্কার আদেশের জন্য বঙ্গবন্ধুকে শোকজ করা হয়, জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন- যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ ন্যায়ের কথা বললে বহিষ্কারের হুমকি দেয়, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো সনদ নেওয়া যথার্থ নয় বলে আমি মনে করি। এটা আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ছোট করার জন্য বলছি না। অর্থাৎ কোনো কোনো সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে খারাপ চিন্তা করা, স্বাধীনতার বিপক্ষের মানুষও ছিলেন।


একাত্তর/এআর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্ত করা হলে তা হবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ স্বীকৃতি এবং মর্যাদা নিশ্চিত ও  মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্য ও গৌরব সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহকে জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল পুঁথিগত বিদ্যায় সীমাবদ্ধ না থেকে গবেষণা ও উদ্ভাবনে মনোনিবেশ করার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে...
শারদীয় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ দলের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ভেস্তে দিল বগুড়ার আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া শহরের...
আওয়ামী লীগের বিগত শাসনামলের অন্যায় ও গণহত্যার কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, হাজারো ডিসেম্বর পেরিয়ে গেলেও শেখ হাসিনা আর কখনো বাংলাদেশে ফিরে আসার সুযোগ পাবেন...
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি, দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যকার সুদীর্ঘ কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও সুসংহতকরণ এবং অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা যে যেই ধর্মেরই হই না কেন, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশের নাগরিক।’
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর