বরিশালের আগৈলঝাড়ায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও উপজেলা প্রকৌশল অফিসের ভুলে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন।
আর এ কারণে এক বছর ধরে দুর্ভোগ নিয়ে ক্লাস করেছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। স্কুলের এমন দশায় নতুন শিক্ষার্থীও ভর্তি হতে আসছে না।
নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে এই আদেশ পেয়ে গত বছর ভেঙে ফেলা হয় আগৈলঝাড়ার পূর্ব সুজনকাঠি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই কক্ষ বিশিষ্ট পুরোনো ভবনটি।
কিন্তু ভাঙার পর জানা যায়, যে দরপত্র পাস হয়েছে সেটি এই বিদ্যালয়ের জন্য নয়, এলাকারই আরেকটি বিদ্যালয়ের।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বিরাট চন্দ্র ভদ্র জানান, নতুন ভবন নির্মাণে এক বছর আগে দরপত্র আহবান করেছিলে এলজিইডি বিভাগ।
কিন্তু উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও উপজেলা প্রকৌশল অফিসের সমন্বয়হীনতার কারণে ভুলের সৃষ্টি হয়। যার খেসারত দিতে হয়েছে তার বিদ্যালয়কে।
এমন একটি সিদ্ধান্তে বিপাকে রয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। গাদাগাদি করে চলছে ক্লাস। নতুন বছরে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে আগ্রহী হচ্ছেন না জানিয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন: উদ্ভাবন: যে গাড়ি শত কিলোমিটার চলতে খরচ ১৫ টাকা
এই বিষয়ে জানাতে চাইলে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এসেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ থেকে। একে অপরকেই দোষারোপে ব্যস্ত কর্মকর্তারা।
পূর্ব সুজনকাঠি গ্রামের শিশুদের জন্য ১৯২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি। সেখানে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। বর্তমানে সেখানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৩৫ জন।
