দেশের বেশিরভাগ বড় শহরে করোনা সংক্রমণ গেলো ডিসেম্বর মাসের তুলনায় জানুয়ারিতে কমপক্ষে দশ গুণ বেড়েছে। রেড জোন চিহ্নিত করেও সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরা যায়নি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি মানতে মানুষের চূড়ান্ত উদাসীনতার কারণে এই দুর্গতি। এই মুহূর্তে মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে সবাইকে টিকার ডোজ শেষ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
একাত্তরের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, সাত বিভাগীয় শহর ছাড়াও বিভিন্ন জেলা শহরগুলোতে করোনা সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলছে।
মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ১,৩৪৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো তিনজন।
আজ সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৬৮৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাতে শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ৪০ শতাংশ।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের প্রধান ডা. মনোয়ার-উল-হক মনে করেন, নজরদারির অভাবে লাগামহীন হতে পারে করোনা সংক্রমণ।
এদিকে, ডিসেম্বরে খুলনায় সংক্রমণের হার ছিলো দুই শতাংশ। সেখানে জানুয়ারির শেষভাগে এসে সেই হার দাঁড়িয়েছে ২৮ শতাংশে।
রংপুরেও সামাল দেয়া যাচ্ছে না করোনা সংক্রমণর গতি। গত এক সপ্তাহে আক্রান্তের হার ২ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫ শতাংশে।
ময়মনসিংহে করোনা সংক্রমণ ৩৩ শতাংশ ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মানা ও টিকা নেয়ার মাধ্যমেই এই সংক্রমণ ঠেকানো সম্ভব বলে মনে করছেন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে করোনা শনাক্তের হার ৫৫ শতাংশের উপরে
নতুন করে করোনার রেড জোনে থাকা রাঙ্গামাটিতে মঙ্গলবার ১৮৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৭৫ জনের দেহে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে।
অর্ধেক জনবল নিয়ে কাজ করার নির্দেশনা থাকলেও, বাস্তবায়ন নেই রেড জোনের তালিকায় থাকা গাজীপুরের অফিসগুলোতে। যদিও গাজীপুরে করোনা সংক্রমণের হার প্রতিদিনই বাড়ছে।
একাত্তর/আরএ
