রাজধানীসহ সারাদেশে মহামারী করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ডোজের গণটিকার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রম চলবে ৩০ মার্চ পর্যন্ত।
২৬ ফেব্রুয়ারি যারা করোনা টিকা নিয়েছিলেন, তারা দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাবেন। স্থানীয়ভাবে যেভাবে প্রথম ডোজের টিকা দেয়া হয়েছিল, একইভাবে দেয়া হবে দ্বিতীয় ডোজের টিকা।
একই সঙ্গে চলছে প্রথম এবং তৃতীয় বা বুস্টার ডোজের টিকাও। সবমিলে দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষই টিকার আওতায় এসেছে বলে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
বাকি ২৫ শতাংশ মানুষের জন্যেও যথেষ্ট টিকা মজুত আছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাই যারা এখনও টিকা নেননি, তাদেরকে শিগগিরই টিকা নেয়ার আহবান জানিয়েছেন তিনি।
১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে শুরু হয় গণটিকার বিশেষ কার্যক্রম। টিকাকেন্দ্রে মানুষের ভিড় খুব বেশী না থাকলেও, ধাপে চলছিলো টিকা কার্যক্রম।
যার দ্বিতীয় রাউন্ড শুরু হলো ২৮ মার্চ থেকে। ২৩ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যারা প্রথম ডোজের টিকা পান, এই কর্মসূচিতে তাদের দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর বেশিরভাগ টিকা কেন্দ্রই এখন মানুষের উপস্থিতি ছিলো কম। ফলে যারাই টিকা নিতে এসেছেন, তারা সহজেই পেয়েছেন। সহজে টিকা পেয়ে খুশি গ্রহীতারও।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে দেশে এখন পর্যন্ত সাড়ে ২৯ কোটি ডোজ টিকা এসেছে। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বা বুস্টার ডোজের জন্য ব্যবহার হয়েছে সাড়ে ২৩ কোটি ডোজ টিকা।
সেই হিসেবে দেশের মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষই টিকার আওতায় এসেছে। বাদ পড়া ২৫ শতাংশ মানুষের জন্য টিকার যথেষ্ট মজুদ আছে।
প্রয়োজনে আরও টিকা আনা হবে বলে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, দেশের টিকা কার্যক্রম সফল হয়েছে। বিশ্বের ২০০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অষ্টম অবস্থানে আছে।
তিনি জানান, করোনা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে। তবে এই নিয়ন্ত্রণ লাগসই করতে আরও সচেতনতা জরুরি। সবাইকে নিয়মিত মাস্ক পরতে হবে।
আরও পড়ুন: করোনায় আজও এক মৃত্যু, শনাক্ত কমেছে
মন্ত্রী জানান, বিশ্বের অনেক দেশেই করোনা টিকার চতুর্থ ডোজও দেয়া হচ্ছে। কারণ এখন যেসব টিকা দেয়া হচ্ছে তা কেবল উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা প্রতিরোধে সক্ষম। তাই করোনার নতুন ধরণগুলো মোকাবেলায় চতুর্থ ডোজের কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
