পূর্ণিমার জোয়ার ও মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাবে উত্তাল বঙ্গোপসাগর। এর ফলে সুন্দরবনে সমুদ্রসহ স্থানীয় নদ-নদীর পানি বেড়েছে প্রায় পাঁচ ফুট। চলছে দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি।
রোববার (১৪ আগস্ট) দেখা যায়, প্রবল ঢেউয়ের কারণে সাগরে টিকতে না পেরে দশ সহস্রাধিক ফিশিং বোট আশ্রয় নিয়েছে সুন্দরবনসহ লোকালয়ের বিভিন্ন খালে।
সুন্দরবনের দুবলা ফরেস্ট অফিস এলাকার বনে পানি ওঠায় অসংখ্য হরিণসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী আশ্রয় নিয়েছে অফিস সংলগ্ন পুকুরের উঁচু পাড়ে। সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছেন বনরক্ষীরা।

এছাড়াও বলেশ্বর নদীর জোয়ারের পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বেড়িবাঁধের ড্রেন থেকে শরণখোলা উপজেলা সদর রায়েন্দা বাজারে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে লোকজনের চলাফেরায় এবং বাজারের ব্যবসায়ীদের চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে রায়েন্দা-মাছুয়া ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে।
আরও পড়ুন: সমুদ্রে তিন নম্বর সংকেত বহাল, বৃষ্টির সম্ভাবনা
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা ফরেস্ট অফিসের কর্মকর্তা দিলীপ মজুমদার মুঠোফোনে জানান, স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে সমুদ্রের পানি প্রায় পাঁচ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। সাগর উত্তাল থাকায় কোন ফিশিং ট্রলার সাগরের বুকে অবস্থান করতে পারছেনা।
তাই প্রায় ১০ সহস্রাধিক ট্রলার আশ্রয় নিয়েছে সাগর উপকূলীয় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র মহিপুর, পাথরঘাটা, কুয়াকাটা, শরণখোলাসহ বিভিন্ন নিরাপদ স্থানে। এছাড়া কিছু ট্রলার সুন্দরবনের আলোরকোলের খালে আশ্রয় নিয়েছে।
একাত্তর/এসজে
