শুধু মোড়কে ভরে দিয়েই বাড়ানো হচ্ছে চাল-ডাল-চিনি-মশলার দাম। ৬৮ টাকার মিনিকেট চাল প্যাকেটে ভরে বিক্রি করা হচ্ছে ৯০ টাকায়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খোলা বাজারে মনিটরিং থাকলেও প্যাকেটজাত পণ্যে মনিটরিং নেই। শুধু চাল নয়, মোড়কজাত ডিমের দামও রাখা হচ্ছে আকাশচুম্বী।
জ্বালানি তেলের বাড়ানোসহ সামান্য অজুহাতেই দেশে পণ্যের দাম বাড়ে খুচরা বাজারে। শুক্রবার ক্রেতারা জ্বালানি তেলের দাম পাঁচ টাকা কমার প্রভাব খুঁজেছেন বাজারে।
তবে, সে আশায় গুড়ে বালি। দাম কমার কোন সুখবর নেই। উল্টো নিত্যপণ্যের বাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখতে হয়েছে ক্রেতাকে। আরও দেখেছেন পণ্যের দাম বাড়ানোর নানা কৌশলও।
বাজারে খোলা পণ্য আর প্যাকেটজাত পণ্যের দামের পার্থক্য অনেকটাই। খোলা বাজারে ভোক্তা অধিকারসহ নানা সংস্থার নিয়ন্ত্রণ লক্ষ্য করা গেলেও প্যাকেটজাত পণ্যে সেটি নেই।
বাজারে মিনিকেটের দাম ৬৮ থেক ৭২ টাকা। কিন্তু প্যাকেটজাত চালে ১০ কেজির প্যাকেট ৮৯০ থেকে ৯২০ টাকা। কেজি হিসেবে ৮৯ থেকে ৯১ টাকা।
একই অবস্থা ডাল, চিনি, লবণসহ বিভিন্ন মসলা জাতীয় খোলা ও প্যাকেটজাত পণ্যে ক্ষেত্রেও। ডিমের দাম নেমে এলেও এক ডজন প্যাকেটজাত এই পণ্যের মূল্য ১৮০ টাকার বেশি।
অর্থনীতিবিদ সদরুল আমিন, শুধুমাত্র মোড়কে ভরে পণ্যের অতিরিক্ত দাম নেয়া অন্যায়। কিছু বাড়তে পারে, কিন্তু যেভাবে বেশি নেয়া হচ্ছে সেটা যুক্তিসংগত নয়।
তাই খোলা বাজারের মতো প্যাকেটজাত পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ সরকারের নজরদারি চাইলেন এই অর্থনীতিবিদ। ভোক্তা অধিকারের জনবল বাড়িয়েই এটা করা সম্ভব।
আরও পড়ুন: বেশি ভাড়া নেয়ায় রাজধানীতে আটটি বাসকে জরিমানা
একই সুরে কথা বলেছে, কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশেরও। বাজারে মধ্যসত্ত্বভোগীদের প্রভাব কমানোর কথা বলছেন তারা।
সপ্তাহর ব্যবধানে বাজারে মাছের দামও আরেক দফা বেড়েছে। নতুন করে বাড়েনি ডিম মুরগি সহ মাংসের দাম।
একাত্তর/এসজে
