পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় লঘুচাপের প্রভাবে বৃষ্টিপাতে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল।
শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিনে ও রাতে মুষলধারায় বৃষ্টি ও রাতে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত লালুয়া ও চস্পাপুরের সাতটি গ্রাম।
সকালে একদফা প্লাবিত হওয়ার পর রাতের জোয়ারেও প্লাবিত হয় গ্রামগুলো। প্লাবিত হয়েছে আন্ধারমানিক নদী তীরবর্তী নাচনাপাড়া বঙ্গবন্ধু কলোনীর দেড় শতাধিক বসতঘর ও চলাচলের রাস্তা। এছাড়া জোয়ারের পানি বাড়ায় কলাপাড়া শহর রক্ষা বাঁধের বাইরের কয়েকশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতঘর প্লাবিত হয়েছে।
লালুয়ার বুড়াজালিয়া গ্রামের বাসিন্দা ফিরোজ মিয়া বলেন, ভাঙ্গা বাঁধ দিয়ে রাবনাবাদ নদীর জোয়ারের পানি প্রবেশ করে রাত ১০টার পর কয়েক ঘর প্লাবিত হয়েছে। রাতে এসব পরিবারের মানুষ বাঁধের উপর আশ্রয় নিয়েছে। মুষলধারায় বৃষ্টির সাথে নদীর পানি বাড়ায় কয়েক হাজার মানুষ দিনে ও রাতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে।
আরও পড়ুন: সখীপুরের বনে চিতাবাঘ, এলাকায় আতঙ্ক
একই অবস্থা উপজেলার দেবপুর গ্রামের। রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালের জোয়ারে এ পানির উচ্চতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা পানিবন্দী গ্রামের বাসিন্দাদের। এতে বসতঘরসহ আমন ক্ষেতের মারাত্মক ক্ষতির আশংকা করছেন এলাকাবাসী।
ইতোমধ্যে তলিয়ে গেছে অন্তত চারশো একর আমন ক্ষেত। চাড়িপাড়া ও দেবপুর বাঁধ ভাঙ্গা থাকায় নদীর পানি বাড়লে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে আরও সহস্রাধিক একর আমন চাষের ক্ষেত।
একাত্তর/জো
