দেশের আবারও পাতানো নির্বাচনের আয়োজন চলছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আর তামাশার নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন এগিয়ে নিতে হবে। ১৫ বছরে মামলা নির্যাতন করে দমিয়ে রাখা যায়নি। বাঁধা দিলে জনগণের শক্তি দিয়ে অতিক্রম করা হবে।
শনিবার (৪ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় বিএনপির এক পদযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। সরকারের পদত্যাগ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে এ পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করে বিএনপি।
ফখরুল বলেন, সরকারের মন্ত্রীরা বলছে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। অথচ মানুষের ভোটের অধিকার নেই। অতীতে দেশের মানুষ কারচুপির নির্বাচনের নমুনা দেখেছে। এ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে ভোট নিরপেক্ষ হবে না।
তিনি বলেন, সবকিছুর ঊর্ধ্বমুখী দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। মানুষ হাহাকার করছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিদ্যুৎ আনতে ভারতের কোম্পানির সঙ্গে অসম চুক্তি করেছে সরকার। সরকার দেশ ও অর্থনীতি চালাতে ব্যর্থ হয়েছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ নয়, সরকারের দুর্নীতির কারণে দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা তৈরি হয়েছে।সেজন্য বলা হয়েছে, সরকারকে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নতুন কমিশনের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
আরও পড়ুন: বিএনপি পদযাত্রার নামে নির্বাচন বানচাল করতে চায়: পরশ
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উত্তরা-পূর্ব থানা বিএনপির আহ্বায়ক শাহ আলম। এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক আমানউল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, কৃষকদলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন ও ছাত্রদল সভাপতি কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ প্রমুখ।
একাত্তর/এসি
