আগামী ১৪ মে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ মার্চ) তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে এ তারিখ ঘোষণা করেন। খবর: রয়টার্স।
নির্বাচনের সংক্রান্ত নথিতে স্বাক্ষরের পর এরদোয়ান এক ভাষণে বলেন, আগামী ১৪ মে তুরস্ক তাদের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট সদস্যদের নির্বাচন করতে ভোট দেবে।
গত সপ্তাহে এক ভাষণে এরদোয়ান বলেছিলেন, নির্বাচনের তারিখ ঠিক করতে ‘যা প্রয়োজন’ তা করা হবে।
এদিকে, পার্লামেন্টের দ্বিতীয় বৃহত্তম দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) নেতা কামাল কিলিচদারোগ্লুকে ঘিরে বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
তবে গত সপ্তাহে আরেকজন বিশিষ্ট বিরোধী নেতা মেরাল আকসেনার প্রাথমিকভাবে কিলিচদারোগ্লুর প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হওয়ার বিরোধিতা করেছেন। সাবেক আমলা কিলিচদারোগ্লু এরদোয়ানকে পরাজিত করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন মেরাল আকসেনা। তবে গত সোমবার আকসেনার কিলিচদারোগ্লুর প্রতি তার সমর্থন জানান।
তুরস্কের বিরোধী নেতারা অর্থনৈতিক মন্দা, নাগরিক অধিকার ও স্বাধীনতা সংকুচিত করার জন্য ৬৮ বছর বয়সী এরদোয়ানকে দায়ী করছেন। তারা তার বিরুদ্ধে ‘এক ব্যক্তির শাসন’ ব্যবস্থা চালুর অভিযোগ করেছেন। তুরস্কের অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তার জনপ্রিয়তাও কমেছে।
গত মাসে তুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির জন্য এরদোয়ান সরকারকে দায়ী করা হচ্ছে। ওই ভূমিকম্পে দেশটিতে ৪৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হাজার হাজার মানুষ এখনো তাঁবু বা অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আছেন।
আরও পড়ুন: ইউক্রেনে জব্দ করা মার্কিন অস্ত্র ইরান পাঠাচ্ছে রাশিয়া
এরদোয়ান ২০০৩ সাল থেকে তুরস্কের ক্ষমতায় আছেন। প্রথমে তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন আর ২০১৪ সালের আগস্ট থেকে প্রেসিডেন্ট পদে আছেন। ২০১৮ সালে এরদোয়ান একটি নতুন শাসনব্যবস্থা চালু করেন। এই ব্যবস্থায় দেশটির প্রেসিডেন্টের হাতে বেশিরভাগ ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ে।
একাত্তর/জো
