বঙ্গবাজারের আগুন নিভলেও এখনও ধ্বংসস্তূপ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, বর্তমানে সেখানে বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই। ঘটনাস্থলে ১২টি ইউনিট রয়েছে। তবে ঘটনার তদন্ত এখনও শুরু করা যায়নি। পাওয়া যায়নি আগুনের প্রকৃত উৎস।
বুধবার সরেজমিন, বঙ্গবাজারে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরদের আগুন নোভানোর কাজ করতে দেখা গেছে। কর্মকর্তার দাবি, পানির অভাবে আগুন পুরোপুরি নেভাতে বেশি সময় লেগেছে।
এদিকে, এনেক্সকো টাওয়ারসহ আশপাশের মার্কেটে থাকা মালামাল রক্ষার শেষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে মালামাল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের সহায়তা চেয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন বলেন, এনেক্সকো টাওয়ারের পাঁচ ও ছয় তলায় গোডাউন রয়েছে। সেখানে এখনো মাঝে মাঝে আগুন দেখা যাচ্ছে। সেখানে ফায়ার সদস্যরা কাজ করছে।
তিনি বলেন, আমাদের জন্য প্রত্যেকটা স্থাপনাই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা গ্রুপে গ্রুপে ভাগ করে, এক একটা গ্রুপ এক এক জায়গায় কাজ করেছি। একসঙ্গে একশ ফায়ার ফাইটার জড়ো হলেও সেটা কাজের জন্য কিন্তু অন্তরায়।
আরও পড়ুন: ফায়ার সার্ভিসে হামলায় ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

এর আগে মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ভোর ছয়টার দিকে বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণের কথা জানান ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক। আগুন নেভাতে সকাল থেকে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের ৫০টি ইউনিট। এরপর সেখানে নির্বাপণ কাজে যোগ দেন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যসহ র্যাব, বিজিবি ও ওয়াসার সদস্যরা।
আরও পড়ুন: বঙ্গবাজার ব্যবসায়ীদের সহায়তা দেয়া হবে: তাপস
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে এক সপ্তাহের মধ্যে।
একাত্তর/এসি
