ইউক্রেন যুদ্ধের ৫৮তম সপ্তাহে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর বাখমুতের কেন্দ্র দখল করেছে রাশিয়ার ভাড়াটে সেনার দল ওয়াগনার গ্রুপ। তবে রুশ সেনাবাহিনীকে উপসাগর অঞ্চলে প্রতিহত করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে কিয়েভ এবং ইউক্রেনীয় কমান্ডাররা বলছেন, রাশিয়ার আক্রমণ এখন স্পষ্টভাবে হ্রাস পাচ্ছে।
বর্তমানে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাখমুত শহরে রুশ ও ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। পুরো শহরের দখল নিতে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, একই সময় রাশিয়াপন্থী বেসামরিক ব্যক্তিরা দক্ষিণের অধিকৃত অঞ্চলগুলো ত্যাগ করছে। হাজার হাজার ইউক্রেনীয় সেনা এই মাসের শেষের দিকে ওই অঞ্চলে অগ্রসর হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই তাদের এ সিদ্ধান্ত।
এর আগে ওয়াগনার গ্রুপ ৩১ মার্চ বাখমুতের কেন্দ্রে অগ্রসর হয়েছিল। ভূ-স্থানীয় ফুটেজে তাদের টাউন হলের ৪০০ মিটারের (১৩০০ ফুট) মধ্যে দেখা গেছে।

দুই দিন পর আরেকটি ভিডিও ফুটেজে ওয়াগনারের প্রতিষ্ঠাতা ইয়েভজেনি প্রিগোজিনকে সিটি হলের উপরে একটি রাশিয়ার পতাকা উত্তোলন করতে দেখা গেছে।
প্রিগোজিন একটি অডিও বার্তায় বলেছেন, আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, বখমুতের নিয়ন্ত্রণ নেয়া হয়েছে।
ওয়াগনার গ্রুপ 'এজেডওএম' শিল্প কমপ্লেক্সের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে বলেও ধারণা সংশ্লিষ্টদের।
৩ এপ্রিলের মধ্যে রাশিয়ান বাহিনী সম্ভবত অ্যাভানগার্ড স্টেডিয়ামের কাছাকাছি দক্ষিণ বাখমুতে অগ্রসর হয়েছিল এবং রাশিয়ান সামরিক ব্লগাররা ৪ এপ্রিল দাবি করেছিলেন যে, ওয়াগনার বাহিনী বাখমুত-১ রেলওয়ে স্টেশন দখল করেছে।

আরও পড়ুন: কমলো চিনির দাম
এদিকে পূর্বাঞ্চলীয় বাখমুত শহর থেকে ইউক্রেনীয় সেনাদের পিছু হটার কথা স্বীকার করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
বুধবার পোল্যান্ড সফরে গিয়ে ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো সেনাবাহিনীর ক্ষতি না করা।
তিনি বলেছেন, মিত্র দেশগুলো থেকে গোলাবারুদ সরবরাহ করা হলে ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা জোরদার হবে।
এমন পরিস্থতিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ থামাতে তার প্রভাব কাজে লাগানোর জন্য চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যনুয়েল ম্যাক্রোঁ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে এক আলোচনার শুরুতে তিনি শিকে বলেন, আমি জানি রাশিয়ার ‘জ্ঞান ফেরাতে’ আমি আপনার উপর নির্ভর করতে পারি।
একাত্তর/আরবিএস
