বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দরখাস্ত করে বাকশালে যোগ দিয়ে পত্রপত্রিকায় বাকশালের পক্ষে লেখলেখি করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বাকশালের পক্ষ নিয়ে পত্রিকায় নিবন্ধ লিখেছিলেন। এখন বিএনপি যে বাকশালের বিরোধিতা করছে তা বিভ্রান্তিকর।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি মাঝে মধ্যে বাকশাল নিয়ে কটাক্ষ করে। তাদের জানা উচিৎ জিয়াউর রহমান নিজে দরখাস্ত দিয়ে বাকশালের সদস্য হয়েছিলো।
‘বাকশালের ফলে ৪ টি পত্রিকা ছাড়া সব বন্ধ হয়ে যায় সত্যি। কিন্তু কোন সাংবাদিক বেকার হয়নি। যদিও বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন বাকশাল সাময়িক।
‘বাকশালের সুফল মানুষ পেতে শুরু করেছিল’ বলে মন্তব্য করেন হাছান মাহমুদ।
সচিবালয়ের ওই অনুষ্ঠানে সাংবাদিক ও রাজনীতিক সুভাষ সিংহ রায়ের ‘বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব ও বাকশাল’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করে। আওয়ামী যখন ক্ষমতায় গেছে তখন জনগণের সমর্থন নিয়েই ক্ষমতায় গেছে। বিএনপি মতো বিদেশিদের কাছে ধর্না দিয়ে পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যায় নি।’
ক্ষমতায় যেতে আওয়ামী লীগ কখনও বিদেশিদের কাছে দ্বারস্থ হয়নি বলেও মন্তব্য করেন দলটির কেন্দ্রীয় এই যুগ্ম সম্পাদক।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিদেশ সফর নিয়েও কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র আর যুক্তরাজ্য সফর রাষ্ট্রীয়। যে বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছিল, তাদের আমন্ত্রণেই যুক্তরাষ্ট্রে এই সফর হচ্ছে।
তিন দেশ সফরে বর্তমানে জাপানে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণের ওই সফর শেষে শুক্রবার শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাংকের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটন যাবেন।
সেখান থেকে ব্রিটেনের রাজা চার্লসের (তৃতীয়) রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য লন্ডন যাবেন।
তিন দেশে ১৫ দিনের সফর শেষে ৯ মে সকালে দেশে ফেরার কথা রয়েছে তার।
একাত্তর/আরবি
