চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক পৌর কাউন্সিলর সামশাদ বেগম রানুকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গত বুধবার প্রধান শিক্ষক দেরি করে স্কুলে আসায় তাকে মারধোর করেন সামশাদ বেগম রানু। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক মামলা করার পর রানুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বুধবার আলমডাঙ্গা বহুমুখী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় স্কুলের বাইরে রোদে দাঁড়িয়ে ছিলো শিক্ষার্থীরা। প্রধান শিক্ষক খানিকটা দেরি করে স্কুলে আসায় তাকে মারধোর করেন এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক সাবেক পৌর কাউন্সিলর সামশাদ বেগম রানু।
এঘটনায় প্রধান শিক্ষক বুধবার বিকেলেই সামশাদ বেগমের নামে মামলা করলে তাকে সেদিনই গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করার পর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে সামশাদ বেগমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার নাথ বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করি।
এদিকে প্রধান শিক্ষককে মারধোরের ঘটনায় সামশাদ বেগমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন অভিভাবকরা। তাদের বক্তব্য, এই প্রধান শিক্ষক স্কুলে প্রায়ই দেরি করে এলেও এজন্য মারধোর করা অপরাধ হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম, আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি আমাকে মারধর করেন।
প্রধান শিক্ষককে মারধোরের প্রতিবাদে সভা করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।
শিক্ষক সমিতির নেতারা দাবি রাখেন ভবিষ্যতে যেন আর কোনও শিক্ষক লাঞ্চিত না হয়।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে কেজিতে ৪৫ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দাম
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রনি আলম নূর, শিক্ষককে শারীরিকভাবে লাঞ্চিতের ঘটনা ঘটেছে। আমরা অভিযোগ পেয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি।
শিক্ষক মারধোরে অভিযুক্ত সামশাদ বেগম রানু ওরফে রাঙ্গাভাবী বর্তমানে জেলা কৃষক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক।
একাত্তর/আরএ
