সড়কে দাঁড়িয়েই বাসে যাত্রী তোলার কারণে চন্দ্রা মোড়ে তৈরি হয় যানজট। ভোগান্তিতে পড়েন উত্তরাঞ্চলের যাত্রীরা। পাশাপাশি ছিল বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবার ছয়শ’ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার বলে পরিচিত চন্দ্রা। যানজটের কারণ খুঁজতে এবার প্রযুক্তির সহায়তা নিয়েছে পুলিশ। পুরো পথে ওড়ানো হয়েছে ড্রোন। আর সেই ছবি দেখে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা। মাইকে সতর্ক করা হচ্ছে বাস চালকদের।
পুলিশের ড্রোনের এই ছবিই বলে দেয় চন্দ্রার পরিস্থিতি। বৃষ্টি উপেক্ষা করে ছুটছে মানুষ। যাদের অনেকেরই ঈদে বাড়ি যাবার একটি বাহন জোগাড় করতেই হিমশিম অবস্থা। সকাল থেকেই চন্দ্রার আশপাশে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে দীর্ঘ যানজট। যার একটি কারণ সড়কে দাড়িয়েই বাসগুলোর যাত্রী তোলার চেষ্টা। ফলে ঘরমুখো মানুষের চার পাঁচ ঘণ্টার ভোগান্তি।
বাসচালকরা জানান, তাদের জ্যামের কারণে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়।
ঢাকা থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত পথটুকুতে কোন সমস্যা না থাকলেও; চন্দ্রা মোড়ে এসেই যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতায় নামে বাসগুলো। আদায় করা হয় বাড়তি ভাড়া।
যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, পাঁচশ’ টাকার ভাড়া তাদের থেকে সাতশ’ করে আদায় করা হচ্ছে। বেশিরভাগ বাসই অধিক ভাড়া নিচ্ছে।
হাইওয়ে পুলিশ বলছে, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবার নানা পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। ড্রোন ছাড়াও মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যুক্ত করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। কেবল ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কেই মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশের ৬শ’ সদস্য।
গাজীপুরের ট্রাফিক উপ-পুলিশ কমিশনার আলমগীর হোসেন বলেন, রাস্তায় যেসব প্রতিবন্ধকতা ছিল তা অনেকাংশেই কমেছে। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।
আরও পড়ুন: অনিয়ম হলে ভোট বন্ধ করে দেব: সিইসি
এদিকে বিকেলে পোশাক কারখানা ছুটির পর, চন্দ্রায় তৈরি হয় বহুমুখী জট। চন্দ্রা ফ্লাইওভারের ওপরে ও নিচে আটকে থাকে হাজারও যানবাহন।
একাত্তর/আরএ
