ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে খুলে দেয়া হয়েছে বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত সাতটি ফ্লাইওভার। তারপরও ভোগান্তির শঙ্কা রয়েছে চৌরাস্তাসহ কয়েকটি পয়েন্টে। তবে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন যানজট ও দুর্ভোগ লাঘবে নেয়া হয়েছে নানামুখী পরিকল্পনা।
বাস র্যাপিড ট্রানজিট-বিআরটি প্রকল্পের সড়ক ও ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রায় শেষ। খুলে দেয়া হয়েছে রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের চান্দনা পর্যন্ত সাতটি ফ্লাইওভার। অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে এই পথে চলাচলকারীদের।
কিন্তু গাজীপুর বোর্ড বাজার থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত দুর্ভোগের শঙ্কায় যাত্রী ও যানবাহনের চালকরা। কারণ বিআরটি স্টেশনের কারণে সরু হয়ে গেছে সড়কের লেন, এই অংশে যাত্রী উঠানামার চাপও বেশি। এর সাথে যোগ হয় যেখানে সেখানে পথচারীদের রাস্তা পারাপার।

ঈদযাত্রায় ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-গাজীপুর সড়কের সংযোগস্থলে যানজটের বিষয়টি জানা পুলিশেরও। তাই সেখানে দুর্ভোগ কমাতে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে তারা।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার সারোয়ার হোসেন বলেন, পুলিশের ৩০টি মোবাইল টিম থাকবে। আমরা বড় বড় ফ্যাক্টরি মালিকদের অনুরোধ করেছি যে, ১৪ ও ১৫ তারিখে অধিকাংশ ফ্যাক্টরি ছুটি হবে, শ্রমিকরা ফ্যাক্টরির ভেতর থেকেই যাতে রওনা হতে পারে। বাসগুলো রাস্তায় দাঁড়ালে যানজট হবে। তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।

ঘরে ফেরা মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশের পাশাপাশি নানা রকম পদক্ষেপ নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। সব সংস্থার সাথে সমন্বয় করেই চলছে এসব কার্যক্রম।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা লক্ষ্য রাখছি যাতে পশুবাহী যেসব যানবাহন আছে সেগুলো চলাচলে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি না করতে পারে।
শিল্পাঞ্চল গাজীপুরে কলকারখানা ছুটির পরেই মহাসড়কে নামে মানুষের ঢল। এই যাত্রী তুলতে যেখানে-সেখানে বাস থামানোয় তৈরি হয় যানজট। এমন অবস্থা ঠেকাতে এবার মহাসড়কে থাকবে শিল্প পুলিশের ৩০টি মোবাইল টিম।
বঙ্গবন্ধু সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ৩ কোটি ২১ লাখ 