নরসিংদী যুব মহিলা লীগের জেলা কমিটির বহিষ্কৃত নেতা শামীমা নূর পাপিয়াকে এক কয়েদিকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগে গাজীপুর থেকে কুমিল্লায় আনা হয়েছে। ২৭ বছরের দণ্ডিত এই কয়েদিকে জেলবিধি অনুয়ায়ী রাইটারের দায়িত্ব দেওয়া হলেও কুমিল্লায় এখনও তাকে কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।
এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় তাকে প্রিজন ভ্যানে করে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ- আল- মামুন।
কুমিল্লা কারাগারের একটি সূত্র জানিয়েছে, রাত সাড়ে ৯টায় কুমিল্লা কারাগারের আনার পরই তাকে কারাগারের নারী ওয়ার্ডে রাখা হয়। কুমিল্লা কারাগারে ছোট-বড় দুইটি নারী ওয়ার্ড আছে। ছোটটিতে অন্ত্বসত্তা ও সন্তানসহ নারী হাজতিদের রাখা হয়। বড়টিতে রাখা হয় অন্য নারী হাজতিদের। সেখানে ২০-৫০ জন কয়েদি থাকেন। এই ওয়ার্ডেই তিনি রাত পার করেছেন। এখানে আসার পর এখনও কোনো দায়িত্ব পাননি পাপিয়া। তবে শিগগিরই তাকে দায়িত্ব দেয়া হবে। এছাড়াও পাপিয়াকে কারাগারে বিশেষ নজরে রাখা হবে, যেন আর কোনো ঘটনার অভিযোগ না উঠে।

কুমিল্লা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, জেলবিধি অনুযায়ী তাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। তবে সোমবার মাত্র এসেছেন। আমরা অন্য কয়েদিদের সঙ্গেই তাকে রেখেছি। তাকে বিশেষ নজরে রাখা হবে।
গাজীপুরের কাশিমপুর নারীদের কারাগারে এক কয়েদির কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নিতে পাপিয়া ও তার সঙ্গীরা আক্রমণ করে। এতে মারাত্মকভাবে আহত হন ওই নারী কয়েদি।
আরও পড়ুন: ঢাকাকে ছিনতাইমুক্ত না করার পর্যন্ত অভিযান: ডিএমপি
এক পর্যায়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে মেঝেতে ফেলে রাখা হয়। এ নিয়ে কারাগারের ভেতরে সালিশ বসে। সেখানে ত্রিমুখী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বন্দি ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে পাপিয়ার ভয়ে সাধারণ কয়েদিরা রুনার ওপর অমানুষিক নির্যাতনের প্রতিবাদ করতে সাহস পাননি।
একাত্তর/এসি
