কক্সবাজারে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। শুধু কক্সবাজার সদর হাসপাতালেই ভর্তি আছেন ২২ জন ডেঙ্গু রোগী। যাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকরা বলছেন এডিস মশা ধ্বংসে কার্যত কোন ব্যবস্থা না করায় পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে কক্সবাজারে।
পর্যটন নগরী কক্সবাজার দিনের বেলা থাকছে রৌদ্রজ্জ্বল, রাতে বৃষ্টি। এমন আবহাওয়ায় সৈকত পাড়ে বেড়েছে মশার উৎপাত। সৈকতের চায়ের দোকান, ঘরে ভেতরে সমান তালে মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ মানুষ।
স্থানীয়রা বলছেন শহর, উপশহরগুলোর যেখানে সেখানে রাখা ময়লা আবর্জনা, নালা নর্দমা থেকে মশার প্রজনন বাড়ছে। আর মশার কামড়ে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। জেলার আট উপজেলা থেকেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী এসে ভর্তি হচ্ছেন সদর হাসপাতালে। যাদের বেশিরভাগেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রোগীরা জানাচ্ছেন তারা প্রাথমিক পর্যায়ে ডেঙ্গুর বিষয়টি বুঝতে না পারলেও ধীরে ধীরে সমস্যা প্রবল হলে বুজতে পারেন।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার জানান, হাসপাতালে প্রতিদিনই ডেঙ্গু রোগী আসলেও তাদের জন্য কোন আলাদা ইউনিট নেই। কোন রকমে আক্রান্তদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আশিকুর রহমান বলেন, একটা কমিউনিটি থেকে আরেকটা কমিউনিটিতে ছড়াতে পারে। আমাদের এখানে যারা ভর্তি আছে তাদের মধ্যে ১১ জনই স্থানীয় বাসিন্দা।
চিকিৎসক আরও জানান, জেলা জুড়ে ডেঙ্গু মশার প্রতিরোধক কোন ব্যবস্থা না করায় পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে।
ডা. আশিকুর রহমান আরও জানান, হাসপাতালে চাপ বাড়ছে। আমাদের চিকিৎসকরা পালা করে ডিউটি করছে। ডেঙ্গু রোগীদের যাতে অবহেলা না হয়- আমরা তার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
আরও পড়ুন: ঘুমন্ত স্ত্রী-সন্তানের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ, স্বামী গ্রেপ্তার
স্থানীয়দের পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন রোহিঙ্গারাও। জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ক্যাম্পে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৫শ’।
একাত্তর/আরএ
