নির্বাচন কমিশনে আয় ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বিএনপি। ২০২১ সালের চেয়ে ২০২২ সালে বিএনপির আয় বেড়েছে। এই এক বছরে দলটির আয় হয়েছে ৫ কোটি ৯২ লাখ ৪ হাজার ৬৩২ টাকা। আয়ের উৎস হিসেবে, দলীয় চাঁদা, অনুদান এবং ব্যাঙ্কের সুদকে উল্লেখ করেছে দলটি।
রোববার দুপুরে, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত হয়ে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএনপির আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, এটা রুটিন ওয়ার্ক। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের আয়-ব্যয়ের হিসাব বার্ষিক হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়। ২০২২ সালে বিএনপির আয় হয়েছে ৫ কোটি ৯২ লাখ ৪ হাজার ৬৩২ টাকা। মোট ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ৮৮ লাখ ৩৩ হাজার ৮০৩ টাকা। উদ্বৃত্ত ২ কোটি ৩ লাখ ৭০,৮২৯ টাকা। জাতীয় নির্বাহী ও স্থায়ী কমিটির চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে অনুদান এবং ব্যাংকের এফডিআরের অর্জিত ইন্টারেস্ট আমাদের আয়ের উৎস।
গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে রুহুল কবির রিজভী বলেন, আয়-ব্যয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া ছাড়া আর কোনো আলোচনা হয়নি।
আরেক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেতা বলেন, জ্বলাও পোড়ায় কে করে অতীতেও আপনারা জেনেছেন। শনিবার যে ঘটনা ঘটেছে, স্বয়ং বাসচালক বলছেন, ১০ গজ দূরেই ছিল পুলিশের অবস্থান। তারপরও কয়েকজন যুবক এসে বলছে যে, বাস থেকে তুমি নেমে যাও, না হলে তোমাকেসহ পুড়িয়ে দেয়া হবে।
আরও পড়ুন: ‘রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা নেই, জনদুর্ভোগ হলে ব্যবস্থা’
তিনি আরও বলেন, কয়েকজন যুবক এই কথাটা তখনই বলতে পারে, যদি সামনে পুলিশ থাকে, বিরোধী দলের কোনো নেতাকর্মী ওখানে সাহস পাওয়ার তো কোনো কারণ নেই! পুলিশ নির্বিচারে গুলিবর্ষণ, গ্রেপ্তার করছে, বেধড়ক লাঠিচার্জ করছে, দৌড়াদৌড়ি করছে, ওর মধ্যে ঠাণ্ডা মাথায় মোটরসাইকেলে এসে পোড়াবে এটা একেবারে মূর্খ ছাড়া কেউ বিশ্বাস করবে না এবং পাগলও এটা বিশ্বাস করবে না।
একাত্তর/এসজে
