ফিলিপাইনের একটি জাহাজে জলকামান ব্যবহার করে পানি ছুড়েছে চীনা জাহাজ। এমনটাই অভিযোগ করেছে ফিলিপাইনের কোস্টগার্ড। এছাড়া বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে তাদের জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা। খবর: এএফপি ও বিবিসি।
এ ঘটনায় সোমবার চীনের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্ডিন্যান্ড মার্কোস।
সোমবার মার্কোস সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র সচিব আজ রাষ্ট্রদূত হুয়াংকে তলব করেছেন এবং সেখানে যা ঘটেছে তার ভিডিও এবং ছবিসহ তাকে একটি মৌখিক বার্তা দিয়েছেন। এ ব্যাপারে আমরা এখন তাদের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছি।’
ফিলিপাইনের কোস্টগার্ড জানায়, জলকামান ছোড়ার ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার। এদিন ফিলিপাইনের কয়েকটি নৌকা বিরোধপূর্ণ স্পার্টলি দ্বীপপুঞ্জে যাচ্ছিল। ওই দ্বীপে অবস্থানরত ফিলিপিনো সৈন্যদের জন্য পাঠানো রসদ ছিল নৌকাগুলোতে। ওই নৌকাগুলোকে নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল তাদের জাহাজ। তখনই জলকামান দিয়ে পানি ছোড়ার এ ঘটনা ঘটে।
চীনের এ আচরণকে ‘বাড়াবাড়ি এবং অবৈধ’ হিসেবে অভিযোগ করেছে ফিলিপিনো কোস্টগার্ড। তারা দাবি করেছে, এ ঘটনায় চীন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে।
এদিকে, ফিলিপাইনের কোস্টগার্ডের জাহাজে জলকামান ছোড়াকে ‘বিপজ্জনক কাজ’ হিসেবে অভিহিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি এ ঘটনার জন্য চীনের ‘সামুদ্রিক মিলিশিয়াকে’ দায়ী করেছে।
আরও পড়ুন: সংসদ সদস্য পদ ফিরে পেলেন রাহুল গান্ধী
বিশাল দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, ব্রুনাই এবং তাইওয়ানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। চীন দাবি করে, পুরো দক্ষিণ চীন সাগরই তাদের অংশ। এ সাগরের মধ্যেই রয়েছে স্পার্টলি দ্বীপপুঞ্জ, যার কিছু অংশকে নিজেদের দাবি করে ফিলিপাইন ও অন্যান্য দেশ।
একাত্তর/জো
