বিএনপির হারানোর কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে এক প্রতিবাদ সভায় এ কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেন, ‘বিএনপির আজ হারাবার কিছু নেই। বিশ্ববিবেক আজ জেগে উঠেছে। তারা বলছে, দেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে হবে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে সাজা দেয়ার প্রতিবাদে এই সভার আয়োজন করে যুবদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সাবেক নেতারা।
সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্মের পর সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছি। সরকার জোর করে ক্ষমতা দখল করে আছে এটা জাতির জন্য বড় সংকট। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে আওয়ামী লীগ নিজেদের স্বার্থে।’
তিনি বলেন, ‘জিয়া পরিবারকে নিয়ে সরকার ভীত হয়ে পড়েছে। ৪০ লাখ নেতাকর্মীর নামে মামলা, একের পর সাজা দেয়া হচ্ছে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে সরকারের পরাজয় অবশ্যম্ভাবী। পরাজয়ের ভয়ে সিনিয়র নেতাদের সাজা দেয়া হচ্ছে।’
অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে বিএনপির বড় বিজয় হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকার যে বিরোধীদলকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি করতে দেয় না, বাধা দেয় তা বিশ্বের কাছে ফুটে উঠেছে। সর্বশক্তি প্রয়োগ করে অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে সরকারকে পরাজিত করে জনগণের সরকার গঠন করা হবে।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দেশকে ধ্বংসের মুখে ফেলে দিয়েছে সরকার। জিয়া পরিবারকে ভয় পেয়ে একের পর এক মামলা দিচ্ছে। সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’
বিএনপির আরেক নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘ভবিষ্যতে যদি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারা যায় তাহলে খালেদা জিয়াসহ সকলের বিরুদ্ধে মামলা বিচারিক অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। গণতন্ত্র ফিরে পেতে হলে আন্দোলন করতে হবে। আন্দোলনের কোনো বয়স লাগে না। কর্মের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে আমরা পারি।’
বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘একদফার আন্দোলন শুধু বিএনপির জন্য নয়, এদেশের মানুষকে রক্ষার জন্য। আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হবে।’
একাত্তর/কেএসএইচ
