রপ্তানিতে ভারত সরকার অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়ার পর বাংলাদেশের পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির মধ্যে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটি আমদানি উন্মুক্ত করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দাম মোকাবেলার জন্য মিশর, তুরস্ক আমদানি করতে হবে। এ নিয়ে কাজও চলছে। যারা পেঁয়াজ আমদানি করতে চায়, তাদেরই অনুমতি (আইপি) দেওয়া হবে।
দাম যাতে না বেড়ে তাই আমদানি ও বাজার মনিটরিং অব্যাহত রাখার সব পরিকল্পনা হয়েছে বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী।
সম্প্রতি ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। আর এই খবরে সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করছে দেশের ব্যবসায়ীরা। বাড়তি দামের পেঁয়াজ আমদানি না হলেও এরি মধ্যে পণ্যটির দাম বেড়ে গেছে।
পাশাপাশি বেশি দামের আশায় দেশের বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি কমিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
আরও পড়ুন: পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক-কর তুলে দিতে এনবিআরকে চিঠি
সোমবার কারওয়ান বাজারের পাইকারি আড়তে একেক জায়গায় একেক দামে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। দুই দিন আগে ৭৮ থেকে ৮০ টাকার দেশী পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আর ৫০ টাকার ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬২ থেকে ৬৫ টাকায়। তবে পেঁয়াজের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে খুচরা বাজারে। পাইকারির তুলনায় ২০ থেকে ৩০ টাকা দাম বেড়ে দেশি পেঁয়াজ ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়।
অবস্থা সামাল দিতে দেশে সামান্য কিছু গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ উৎপাদন হলে তা বাজারে আসতে নভেম্বর পর্যন্ত সময় লেগে যাবে সাংবাদিকদের জানান কৃষিমন্ত্রী।
তিনি আরো বলেন, দাম কম পাওয়ায় চাষিরা এবার উৎপাদন কম করেছে। ১৩ লাখ টন আমদানির আইপি দিলেও এসেছে মাত্র তিন লাখ টন।
একাত্তর/আরবি
