চীন-ভারত সীমান্ত ইস্যুকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি উপযুক্ত স্থানে রাখা উচিত এবং শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে এর ন্যায্য, যুক্তিসঙ্গত ও গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েন পিং।
স্থানীয় সময় শুক্রবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। খবর সিআরআইয়ের।
পিং বলেন, চীন-ভারত সীমান্ত ইস্যুতে বেইজিংয়ের অবস্থান বরাবরই এক ও স্পষ্ট।
তিনি বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জোহানেসবার্গে ব্রিকস সম্মেলনের অবকাশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে আলোচনা করেছেন। এ সময় দুই দেশের সম্পর্ক ও অভিন্ন উদ্বেগ নিয়ে তাদের মধ্যে খোলামেলা মতবিনিময় হয়েছে।
এ মুখপাত্র বলেন, প্রেসিডেন্ট শি জোর দিয়ে বলেছেন যে, চীন-ভারত সম্পর্কের উন্নতি ও উন্নয়ন দুই দেশ ও দুই দেশের জনগণের সাধারণ স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্যও সহায়ক। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে উভয় পক্ষের সামনে এগিয়ে যাওয়া, সীমান্ত সমস্যা সঠিকভাবে মোকাবিলা করা এবং যৌথভাবে সীমান্ত এলাকায় শান্তি বজায় রাখা উচিত।
চীন-ভারত সীমান্ত ইস্যু একটি 'ঐতিহাসিক ইস্যু' উল্লেখ করে তিনি বলেন, একে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি উপযুক্ত স্থানে রাখা উচিত এবং শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে এর ন্যায্য, যুক্তিসঙ্গত ও গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করা উচিত। পাশাপাশি দুই পক্ষের উচিত সীমান্ত এলাকায় শান্তি বজায় রাখা।
সবশেষ ২০২২ সালে জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে আলোচনায় বসেছিলেন শি-মোদি। আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী দিল্লিতে জি২০ এর পরবর্তী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। যে সম্মেলনে অংশ নিতে শি ভারতে যাবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আসন্ন সম্মেলনে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে দুই দেশ আরও আগ্রসর হবে, এমনটাই প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডেঙ্গুতে আরও ১৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫২৮