নাইজারে ফরাসি রাষ্ট্রদূত জান্তার হাতে জিম্মি: ম্যাক্রোঁ

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৪:০১ পিএম

নাইজারে জান্তা ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতকে ফরাসি দূতাবাসে জিম্মি করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ । শুক্রবার সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

ম্যাক্রোঁ বারগুন্ডি সফরের সময় সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা যখন কথা বলি, আমাদের একজন রাষ্ট্রদূত এবং কূটনৈতিক সদস্য আছে যাদেরকে আক্ষরিক অর্থে ফরাসী দূতাবাসে জিম্মি করা হয়েছে, এবং তাদের কাছে খাবার সরবরাহ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তারা সামরিক রেশন খাচ্ছেন।’

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, নাইজারে থাকা রাষ্ট্রদূত সিলভাইন ইত্তেকে বাইরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তাকে খাবার দেওয়ার ক্ষেত্রেও বাধা দেওয়া হচ্ছে।

জুলাই মাসে পশ্চিম আফ্রিকার দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেই সেনাবাহিনী। এরপর তারা ফরাসি রাষ্ট্রদূত ইত্তেকে দেশছাড়ার নির্দেশ দেয়। জান্তা প্রশাসন তার ভিসা প্রত্যাহার করে এবং পুলিশকে তাকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেয়।

তবে রাষ্ট্রদূতকে নাইজার থেকে ফিরিয়ে নেয়া হবে না বলে জানিয়ে ফ্রান্স। ফরাসি কর্তৃপক্ষ পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, তারা জান্তার কর্তৃত্বকে স্বীকৃতি দেয় না।

রাষ্ট্রদূতকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কাজ করবেন কি না- জানতে চাইলে ম্যাক্রোঁ বলেন, নাইজারের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাজুমের সঙ্গে আমরা কাজ করতে রাজি। তিনি বৈধ কর্তৃপক্ষ। তিনি প্রতিদিন তার সঙ্গে কথা বলেন বলেও জানান তিনি।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাথরিন কোলোনার মতে, ইত্তে এখনও কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রদূত কাজ করছেন, আমি নিশ্চিত করতে পারি। তার সাথে এখনও একটি ছোট দল রয়েছে।’

কোলোনা যোগ করেছেন যে, যতদিন নাইজারে ফ্রান্স রাষ্ট্রদূতকে রাখতে চায়, ততদিন সেখানে থাকবেন ইত্তে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ।

জুলাইয়ে প্রেসিডেন্ট বাজুমকে হটিয়ে ক্ষমতা দখলের পর ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল নাইজারের সামরিক জান্তা সরকার। এমন সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় ফ্রান্স জানায়, নাইজারে তাদের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করার কোনো অধিকার নেই সামরিক অভ্যুত্থানকারীদের।

 

একাত্তর/জো
জীবনযাত্রার চরম ব্যয়বৃদ্ধি ও আয়ের তুলনায় নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে পুরো ফ্রান্সজুড়ে ছড়িয়ে পড়া তীব্র গণবিক্ষোভ ও নজিরবিহীন লুটপাটের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কিছু অঞ্চলে সান্ধ্য আইন...
শিক্ষা সংস্কার, শিক্ষক সংকট ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে শুরু হওয়া শিক্ষার্থী আন্দোলন এখন নজিরবিহীন গণ-উত্তেজনায় রূপ নিয়েছে। গত এক মাসের মধ্যে দেশের বৃহত্তম এই গণআন্দোলনের পর রোববার...
দুই দুটি বিশ্বযুদ্ধের নারকীয় তাণ্ডব থেকে অক্ষত বেঁচে ফিরেছিলো ফ্রান্সের ঐতিহাসিক এই ঐতিহ্যবাহী ভবনটি। কিন্তু জীবনযাত্রার চড়া ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়া সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম...
জীবনযাত্রার চড়া ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো ফ্রান্স। দেশজুড়ে শুরু হওয়া আন্দোলন আকস্মিক সহিংসতায় রূপ নেওয়ার পর রাজধানী প্যারিসের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দোকানে ব্যাপক...
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান মঙ্গলবার বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক এক বৈজ্ঞানিক...
স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর দেশ পুনর্গঠনের ঐতিহাসিক শুভক্ষণে বঙ্গভবনে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে এক রাজকীয় ও আন্তরিক বৈঠকে মিলিত হলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে বন্ধুর স্ত্রীর মন চুরি, এরপর পরকীয়ার ফাঁদে ফেলে এক ছাদের নিচে সংসার পাতা- প্রেম আর বিশ্বাসের এই নাটকে শেষ পর্যন্ত রক্তের ছোপ লাগলো! ধুনটে বন্ধুর ওপর দীর্ঘদিনের জমানো...
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে এক গৃহবধূকে (২৩) জোরপূর্বক অপহরণের পর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় ৬ আসামির সবাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিটি আসামিকে এক লাখ টাকা...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর