শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে অটোরিকশাচালক আরব আলীকে (২১) হত্যা করে তার রিকশা ছিনিয়ে নেয় খালাতো ভাই। এ ঘটনায় মামলা হলে মূলহোতাসহ তিনজন এবং অটোরিকশা কেনা-বেচায় জড়িত থাকা আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা এক সময় এলাকায় হাঁস-মুরগি চুরি করতেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মোনালিসা বেগম জানান, হত্যাকারী তিনজন হলেন- ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও পূর্বপাড়া গ্রামের শামীম মিয়া ওরফে হেদা (২৫), জুলগাঁও কোয়ারি রোড গ্রামের হামিদ ওরফে সোজা (২৪) এবং বনগাঁও চকপাড়া গ্রামের সোহেল রানা (২৫)।
ছিনতাই অটোরিকশাসহ অন্যান্য মালামাল ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা হলেন- শেরপুর সদর উপজেলার পৌরসভার নবীনগর মহল্লার বাবুল মিয়া (৩৫), ঝিনাইগাতী উপজেলার জোলগাঁও কোয়ারি রোড গ্রামের আবেদ আলী ওরফে ফকির (৩৭), শেরপুর পৌরসভার ঢাকলহাটি মহল্লার জাহিদ হাসান (২২) এবং নাগপাড়া মহল্লার ফরহাদ আলী (২২)।
পুলিশ সুপার মোনালিসা জানান, ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে ঝিনাইগাতীর বনগাঁও পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে আরব আলী অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। সোমবার সকালে উপজেলার রাংটিয়া দেওয়ান পাড়া গ্রামের একটি খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় মামলা হলে তদন্তে নামে পুলিশ। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমেই নিহতের খালাতো ভাই শামিম মিয়াকে ঢাকার মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার তিনজন অটোরিকশা কেনা-বেচার সাথে জড়িত আরও চারজনের তথ্য দিলে তাদেরও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সাত আসামিকেই আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শেরপুরে হাতির মরদেহ উদ্ধার