ভারতের কাছে সাত উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। ফলে বিশ্বকাপের স্বপ্ন অনেকটাই ফিকে হয়ে গেলো বাংলাদেশের কাছে।
পুনেতে আজকের ম্যাচে খেলতে নেমে টস জিতে ভারতকে ফিল্ডিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ম্যাচের আগেই বড় ধাক্কা ছিলো আজকের ম্যাচে ইঞ্জুরির কারনে বাংলাদেশের নিয়মিত অধিনায়ক সাকিবের খেলতে না পারা।
ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ সূচনা করে বাংলাদেশের দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও লিটন দাস। জয়ের আশা জাগে বাংলাদেশ শিবিরে। তবে ৯২ রানে তানজিদ তামিম ফিরে গেলে শুরু হয় বিপর্যয়। এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান তানজিদ তামিম। তার আগে করেন আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি।
তামিমের পর বিদায় নেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। রবীন্দ্র জাদেজার বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে অধিনায়ক। এরপর সিরাজের শিকার মিরাজ।
হাফসেঞ্চুরি হলেও কাঙ্ক্ষিত সেঞ্চুরি করতে পারেননি লিটন দাস। রবীন্দ্র জাদেজার সাধারণ বলে ফিরেন তিনি।
লিটন ফেরার পর হৃদয়ের সাথে জুটি গড়তে চেষ্টা করেন মুশফিক। তবে ৪২ রানের সে জুটি ভাঙে হৃদয়ের উইকেট পতনে।
এরপরেই এই ম্যাচে যশপ্রীত বুমরার প্রথম উইকেট হয়ে ফিরে যান মুশফিক। দুইশ পার করে বাংলাদেশ।
শেষ সময়ে নাসুমকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে চেষ্টা করেন মাহমুদউল্লাহ। সেই এগিয়ে যাওয়া আর হয়নি, সিরাজের শিকার হয়ে ফিরেন নাসুম।
তারপর বুমরার ইয়র্কার আটকাতে না পেরে আউট হন বাংলাদেশের শেষ ভরসা মাহমুদউল্লাহ। ৫০ ওভার খেলে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৫৬ রান।
বাংলাদেশের দেয়া ২৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল।
১৩তম ওভারে প্রথম উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের বলে তৌহিদ হৃদয়ের ক্যাচ হয়ে ফিরেন রোহিত শর্মা। আউট হওয়ার আগে রোহিতের সংগ্রহ ছিলো ৪০ বলে ৪৮ রান।
৫২ বলে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ফিফটি করেন শুভমান। ফিফটির পরেই ডাউন দ্য গ্রাউন্ডে এসে মিরাজকে তুলে মারতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ হয়ে ফিরে যান গিল।
এরপর আজকের ম্যাচে মাহমুদউল্লাহর দ্বিতীয় ক্যাচে মিরাজের দ্বিতীয় উইকেট হয়ে ফিরে যান শ্রেয়াস আইয়ার। এরপরেই ২০০ রান ছুঁয়ে ফেলে ভারত।
তারপর শুরু হয় কোহলি তাণ্ডব। করেন ক্যারিয়ারের ৪৮তম সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরির সাথে বাংলাদেশকে হারিয়ে ভারতের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন বিরাট কোহলি। ৪১ ওভার বলে কাঙ্ক্ষিত জয় পায় ভারত।
তিন উইকেটে ভারতের ২০০ রান
তুলে মারতে গিয়ে মিরাজের বলে আউট হয়েছেন শ্রেয়াস আইয়ার। ফলে আজকের ম্যাচে মাহমুদউল্লাহর দ্বিতীয় ক্যাচে মিরাজ পেলেন দ্বিতীয় উইকেট। ২৫ বলে শ্রেয়াস করেছিলেন ১৯ রান।
এরপরেই ২০০ রান ছুঁয়ে ফেলে ভারত। জয়ের দিকে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছে তারা।
শেয়াসের আউটের আগে নিজের ৬৯ নম্বর ওয়ানডে ফিফটি করেন বিরাট কোহলি।
৩৬ ওভারে ভারতের সংগ্রহ এখন ২০৯ রান। ৮২ বলে প্রয়োজন ৪৬ রান।
হাফ সেঞ্চুরি করে ফিরলেন শুভমান
শরীফুলের বলে অফ সাইড থেকে সিঙ্গেল নিয়ে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ফিফটি করেন শুভমান। এতে তার খরচ হয়েছে ৫২ বল।
ডাউন দ্য গ্রাউন্ডে এসে মিরাজকে তুলে মারতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ হলেন গিল। ফলে ওপেনার রোহিত ফিরে যাওয়ার পর ফিরে গেলেন গিলও।
এখন ক্রিজে বিরাট কোহলি, সাথে আছেন শ্রেয়াস আইয়ার। ২০ ওভার ৩ বলে ভারতের সংগ্রহ ১৪৩।
অবশেষে প্রথম উইকেটের দেখা পেলো বাংলাদেশ
হাসান মাহমুদের বলে তৌহিদ হৃদয়ের ক্যাচ হয়ে ফিরলেন রোহিত শর্মা।
এর আগে ওপেনিং পার্টনার শুভমান গিলকে দারুণ সূচনা করেন রোহিত। আউট হওয়ার আগে তার সংগ্রহ ছিলো ৪০ বলে ৪৮ রান। আগের বলে মেরেছিলেন ছক্কা। তবের আরেকটি শটের চেষ্টায় আউট হয়ে হলোনা রোহিতের ফিফটি। ফলে ১৩তম ওভারে প্রথম উইকেটের দেখা পেলো বাংলাদেশ।
এক উইকেট হারিয়ে ১৩ ওভার ২ বলে ভারতের সংগ্রহ এখন ১০৩।
উড়ন্ত সূচনা ভারতের
কোনো উইকেট না হারিয়ে উড়ন্ত সূচনা ভারতের। ১১ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ ৬৮ রান।
এই বিশ্বকাপে প্রথম ওপেনিংয়ে ফিফটি জুটির দেখা পেল ভারত। রোহিত, শুভমান জুটির সামনে হিমসিম খাচ্ছে বাংলাদেশের বোলাররা। সাকিবের অভাব যেন বোলিংয়ে ভালোই টের পাচ্ছে টিম বাংলাদেশ।
২৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেছে ভারত
বাংলাদেশের দেয়া ২৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাঠে আছেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল। এখনো কোনো উইকেট না হারিয়ে ভারতের ওপেনিং সংগ্রহ ৪ ওভারে ২৮ রান।
টস জিতে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এরপর সতর্ক শুরু বাংলাদেশের দুই ওপেনারের। দুজনেই পান হাফ সেঞ্চুরি। তবে তানজিদের আউটে ৯৩ রানের ওপেনিং জুটি ভেঙে গেলে চরম বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। শেষমেশ সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৫৬।
২৫৬ রানে থামলো বাংলাদেশ
ভারতকে ২৫৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। একটু পর বাংলাদেশের দেয়া লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যাটিংয়ে নামবে ভারত।
টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে সতর্কভাবে শুরু করে বাংলাদেশের দুই ওপেনার। তবে ৯৩ রানে ভেঙে যায় বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি করে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান তানজিদ তামিম। তামিমের আউটে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। পরতে থাকে দ্রুত উইকেট।
তানজীদ তামিমের পর চলে গেলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। রবীন্দ্র জাদেজার বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে অধিনায়ক। এরপর সিরাজের বলে লোকেশ রাহুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হলেন মিরাজ।
রবীন্দ্র জাদেজার সাধারণ বলে লং অফে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফিরে যান লিটন দাস। হাফসেঞ্চুরি হলেও হয়নি কাঙ্ক্ষিত সেঞ্চুরি।
এরপর হৃদয়ের সাথে জুটি গড়তে চেষ্টা করেন মুশফিক। তবে ৪২ রানের সে জুটি ভাঙল হৃদয়ের উইকেট পতনে।
তারপর যশপ্রীত বুমরার প্রথম উইকেট হয়ে ফিরে গেলেন মুশফিক। দুইশ পার করে বাংলাদেশ। শেষ সময়ে নাসুমকে সাথে নিয়ে বেশ দ্রুত খেলতে চেষ্টা করেন মাহমুদউল্লাহ। রাহুলকে ক্যাচ দিয়ে সিরাজের শিকার হয়ে ফিরেন নাসুম।
এরপর বুমরার ইয়র্কার আটকাতে না পেরে আউট হন শেষ ভরসা মাহমুদউল্লাহ। সবশেষে ৫০ ওভার খেলে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৫৬ রান।
বিদায় নিলেন নাসুম
শেষ সময়ে বেশ দ্রুত খেলতে চেষ্টা করছেন মাহমুদউল্লাহ। তবে এবার ফিরে গেলেন তার সঙ্গী নাসুম আহমেদ। রাহুলকে ক্যাচ দিয়ে সিরাজের শিকার তিনি। শর্ট লেংথের বলে কট বিহাইন্ড হয়েছেন নাসুম।
আউট হওয়ার আগে মেরেছিলেন দুটি চার। ১৮ বল খরচ করে নাসুম খেলেছেন ১৪ রানের ইনিংস।
সাত উইকেটে ২৩৮ এখন বাংলাদেশের সংগ্রহ। মাঠে আছেন মাহমুদউল্লাহ ও মোস্তাফিজ।
দুইশ পেরোলো বাংলাদেশ, হারালো ষষ্ঠ উইকেট
৪২ ওভারে ২০০ পেরোলো বাংলাদেশ। কিন্তু আবার ছন্দপতন। এই ম্যাচে যশপ্রীত বুমরার প্রথম উইকেট হয়ে ফিরে গেলেন মুশফিক। দুর্দান্ত ক্যাচটি নিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। ৪৬ বলে ৩৮ রান করা মুশফিকের আউটে মহা বিপদে বাংলাদেশ।
সতর্কভাবেই শুরু করেছিলো বাংলাদেশ। শুভ সূচনায় লিটনের সঙ্গী ছিলেন ছোট তামিম। আভাষ পাওয়া যাচ্ছিলো বাংলাদেশের একটি ভালো ইনিংসের।
কুলদীপ যাদবকে সুইপের চেষ্টা করেছিলেন তামিম। তবে ফ্ল্যাট বলটির লাইন মিস করে গেছেন পুরোপুরি।এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলেন তিনি।
ভারত পেয়ে যায় কাঙ্ক্ষিত ব্রেকথ্রু। ৯৩ রানে ভেঙেছে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি। এরপর শুরু হয় একের পর এক উইকেট পতন। যদিও হৃদয় ও মুশফিকের ৪২ রানের জুটি জাগিয়েছিল আশা। তবে হৃদয় ফিরে যাওয়ার পর ভেঙে যায় সেই জুটি। এবার নেই মুশফিকও।
২০০ পার করলেও আর কতটুকু এগিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ তা এখন দেখার বিষয়।
বেশি দূর এগিয়ে যেতে পারলোনা হৃদয় মুশফিকের জুটি
শার্দুল ঠাকুরের শর্ট লেংথের বলে খেলা শটে নিয়ন্ত্রণহীন ছিলেন হৃদয়। হৃদয় ও মুশফিকের জুটি বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে আশা জাগানোর পথে ছিলো। তবে ৪২ রানের সে জুটি ভাঙল হৃদয়ের উইকেট পতনে। ৩৫ বলে ১৬ রানের ইনিংস খেলেছেন হৃদয়।
হৃদয় ফিরে যাওয়ার পর বেশ চাপেই পড়ে গেলো বাংলাদেশ। ক্রিজে এখন মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ। পাঁচ উইকেটে ১৮৬ রানে খেলছে বাংলাদেশ।
ভালো শুরুর পর বিপদে বাংলাদেশ, ড্রেসিংরুমে লিটন
বাংলাদেশের দুই ওপেনার তানজীদ তামিম ও লিটন দাস ভালোই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন বাংলাদেশকে।
তবে তানজীদ ফেরার পর একেএকে নেই আরও তিন উইকেট। রবীন্দ্র জাদেজার সাধারন বলে লং অফে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফিরে গেলেন বাংলাদেশের অন্যতম ভরসা লিটন। তামিমের অর্ধশতক করে ফেরার পর ধরে নেয়া হয়েছিলো লিটনের ব্যাট থেকেই আসছে সেঞ্চুরি। তবে তা হলোনা। লিটন থেমেছেন ৮২ বলে ৬৬ রানে।
মাঠে এখন হৃদয়ের সাথে মুশফিক। বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত সংগ্রহ চার উইকেটে ১৪৬ রান।
ফিরলেন অলরাউন্ডার মিরাজ, বিপদে বাংলাদেশ
ডাউন দ্য লেগের বলে কট বিহাইন্ড হয়ে ফিরে গেলেন মিরাজ। প্রথম থেকেই তেমন স্বস্তিতে ছিলেন না তিনি। সিরাজের বলে লোকেশ রাহুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে হলেন আউট। ১৩ বলে মিরাজ সংগ্রহ করেছিলেন মাত্র ৩।
সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর ব্যাটিং অর্ডারে বেশকিছু পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। যেমন আজ মিরাজ নেমেছিলেন চার নম্বরে ব্যাট করতে।
মিরাজের পর মাঠে এসেছেন হৃদয়। লিটনের সাথে ব্যাট করছেন তিনি। তিন উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ এখন ১৩২ রান।
ফিরে গেলেন অধিনায়ক শান্ত
তানজীদ তামিমের পর চলে গেলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। রবীন্দ্র জাদেজার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলেন তিনি।
বাংলাদেশ অধিনায়কের সংগ্রহ ছিলো ১৭ বলে ৮ রান। ব্যাকফুটে গিয়ে আড়াআড়ি খেলার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তবে তা সফল হয়নি।
ক্রিজে আছেন ওপেন লিটন দাস এবং অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। দুই উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ এখন ১১৪ রান।
ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটির পর থামলেন তানজিদ
কুলদীপ যাদবকে সুইপের চেষ্টা করেছিলেন। তবে ফ্ল্যাট বলটির লাইন মিস করে গেছেন পুরোপুরি। ৪৩ বলে ৫১ রান করে এলবিডব্লিউ তানজিদ, রিভিউও করেননি। সেটি করলে লাভও হতো না। ভারত পেয়েছে কাঙ্ক্ষিত ব্রেকথ্রু। ৯৩ রানে ভেঙেছে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি।
তানজিদের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি, ৪১ বলে। সেটিও বিশ্বকাপে। প্রতিপক্ষ ভারত। তানজিদ হাসানের স্মরণীয় দিন। শার্দুল ঠাকুরের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটি পূর্ণ করলেন এ বাঁহাতি ওপেনার।
কুলদীপ যাদব ১ ওভার করে গেছেন। বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে এ রিস্ট স্পিনারের স্পেল। তবে তানজিদ-লিটন বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি গড়ে ফেলেছেন। আগের সর্বোচ্চ ছিল ২০১১ সালে মিরপুরে তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসের ৫৬ রান।
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ওপেনিং রানের জুটি এখন তানজিদ-লিটনের। আগের সর্বোচ্চ ছিল ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে মেহরাব হোসেন ও শাহরিয়ার হোসেনের ৬৯ রান।

দাপুটে ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের ৬৩
সর্তক শুরুর পর সপ্তম ওভারে এসে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন তানজিদ তামিম। পরে তার সঙ্গী হন লিটন দাস। তাতে শুরুর ঘাটতিটাও পূরণ হয়ে যায় বাংলাদেশের।
নবম ওভারে হার্দিক পান্ডিয়ার বলে টানা দুটি চার মেরেছেন লিটন। অবশ্য এই ওভারেই তৃতীয় ডেলিভারির পর পায়ে আঘাত পান হার্দিক। তিনটি বল করতে পারলেও পা মচকে যাওয়ায় ওভার অসম্পূর্ণ রেখে মাঠ ছেড়ে গেছেন। তার বদলে ওভার শেষ করেছেন কোহলি।
তারপর শার্দুল ঠাকুরের দশম ওভারে তানজিদ দুটি ছক্কা ও এক চার মারলে পাওয়ার প্লেতেই ওপেনিং জুটিতে স্কোরবোর্ডে যুক্ত হয় ৬৩ রান, যা বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাওয়ার প্লেতে কোনও প্রতিপক্ষের এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।
বিশ্বকাপে চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। টস জিতে ব্যাটিং নিলেও শুরুতে অতি সাবধানী ছিলেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও তানজিদ তামিম। জসপ্রীত বুমরা ও মোহাম্মদ সিরাজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৫ ওভারে তুলতে পেরেছে মাত্র ১০ রান।
তারপর ধীরে ধীরে কিছুটা গতি বাড়িয়েছেন তারা। তবে পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে এলবিডব্লিউ হতে পারতেন তানজিদ। জশপ্রীত বুমরার ইয়র্কার লেংথ ডেলিভারি প্যাডে আঘাত করেছিল তার। ভারতের ফিল্ডাররা রিভিউ না নেওয়ায় বেঁচে যান বাঁহাতি ওপেনার। সেসময় ৭ রানে ব্যাট করছিলেন তানজিদ।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে সাকিবহীন বাংলাদেশ
ভারতের বিপক্ষে খেলছেন না ইনজুরিতে পড়া বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তার জায়গায় অধিনায়কত্ব করছেন নাজমুল হোসেন। টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
সাকিবের জায়গায় দলে এসেছেন নাসুম আহমেদ। বাদ দেওয়া হয়েছে তাসকিন আহমেদকেও, তার জায়গায় এসেছেন হাসান মাহমুদ। অপরিবর্তিত আছে ভারতের একাদশ।
বুধবার সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে বলেছিলেন, এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে তাদের দেখা সবচেয়ে ভালো উইকেট এটিই। উইকেট যে ব্যাটিং সহায়ক হবে, সেটি একরকম নিশ্চিতই।
বাংলাদেশ একাদশ
লিটন দাস, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, শরীফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ।
ভারত একাদশ
রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুল, শ্রেয়াস আইয়ার, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, শার্দুল ঠাকুর, কুলদীপ যাদব, মোহাম্মদ সিরাজ, যশপ্রীত বুমরাহ।
