মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উপদেষ্টা পরিচয়ে বিএনপি কার্যালয়ে ব্রিফিং করা ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
রোববার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে শনিবারের সংঘর্ষে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি, বলেন, সরকারের ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলে তাকে গ্রেপ্তার করার প্রক্রিয়া ঠিক করা হবে। বাইডেনের মত মানুষ এমন আহাম্মকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন কিনা সেটাও দেখার বিষয়।
রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আশপাশের এলাকায় দিনভর ব্যাপক সহিংসতা ও সংঘাতের পর শনিবার বিকেলে হঠাৎ করেই মিয়ান আরাফি বলে এক ব্যক্তি নিজেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উপদেষ্টা হিসেবে দাবি করেন। তবে এই ব্যক্তির বিএনপি কার্যালয়ে যাওয়া এবং বক্তব্য রাখার বিষয়ে দায় নিতে নারাজ দলটি। আর মার্কিন দূতাবাস বলেছে, তাদের কোন প্রতিনিধি সেখানে যায়নি।
দুই দফা গণমাধ্যমের সাথে কথা বলার সময় কথিত মিয়ান আরাফি বিএনপির সমাবেশে পুলিশ নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে দাবি করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কাছে এ বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, শনিবার যা হয়েছে তার আগাগোড়া আমেরিকা জানে।
মিয়ান আরাফি সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্য দেশে এসে যে ভায়োলেন্সের আহ্বান দেবে-এ ধরনের লোককেতো সাথে সাথে অ্যারেস্ট করা উচিত।
এদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সমাবেশকে ঘিরে যারা হামলা করেছে তারা অমানুষ। তিনি বলেন, যারা এসব করেছে তারা অমানুষ। এরা মানবতার ধারেকাছে নেই। এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। যাতে অন্য কেউ পুলিশ বাহিনীর ওপর হাত না তোলে।
