বাকস্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার, ফেসবুক ও গুগলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার (৮ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মিয়ামির একটি আদালতে ক্যালিফোর্নিয়ায় ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান তিনটির বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেন ট্র্যাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী অনুযায়ী, বাকস্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে। মামলায় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনেন ট্র্যাম্প। অভিযুক্তরা হলেন, ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গ, টুইটারের সিইও জ্যাক ডোর্সে ও গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই।
নিউজার্সিতে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, এই মামলার মধ্য দিয়ে আমরা রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতার পক্ষে বিজয় অর্জন করব।
এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে, টুইটারের একজন প্রতিনিধি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফেসবুক এবং গুগলের পক্ষ থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলের দাঙ্গায় উস্কানিমূলক পোস্ট দেওয়ার কারণে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রাম থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত জারি থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা।
ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণ ছিল সংস্থাটির নিয়মকানুনের চরম লঙ্ঘন।
আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় আট জেলায় ১০৫ মৃত্যু
ফেসবুকের এই নিষেধাজ্ঞার পর সেভ আমেরিকা পলিটিকাল অ্যাকশন কমিটির পক্ষ থেকে পাঠানো একটি বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেছিলেন, এভাবে সেন্সর করে আর চুপ করিয়ে দেওয়ার বিষয়টিকে ছাড় দেওয়া ঠিক হবে না। শেষ পর্যন্ত আমরাই জিতবো। আমাদের দেশ আর কোনো নিপীড়ন সহ্য করবে না।
একাত্তর/আরবিএস
