দেশের সব সংসদীয় নির্বাচনী এলাকায় আচরণবিধি প্রতিপালনে মাঠে নামলো ৩০০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (বিচারিক হাকিম)। তারা মাঠে থাকবেন চার জানুয়ারি পর্যন্ত। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, ভোটের আগে চার জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাহী হাকিমরা দায়িত্ব পালন করবেন। সেই সঙ্গে ভোটের দুই দিন আগে থেকে ভোটের দিন ও ভোটের পরদিন পর্যন্ত (৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি) পাঁচ দিনের জন্য থাকবেন নির্বাহী ও বিচারিক হাকিমরা। এর মধ্যে নির্বাহী হাকিমরা আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত স্ট্রাইকিং ও মোবাইল ফোর্সের সঙ্গে থাকবেন।
নির্বাহী হাকিমরা প্রতি উপজেলায় একজন, তবে ১৫টি ইউনিয়নের অধিক (পৌরসভাসহ) ইউনিয়ন বিশিষ্ট উপজেলায় দুই জন, জেলা সদরের এ ক্যাটাগরির পৌরসভায় একজন, তবে ৯ ওয়ার্ডের অধিক হলে দুই জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৫ জন, চট্টগ্রাম সিটিতে ১০ জন, খুলনা সিটিতে ছয় জন, গাজীপুর সিটিতে চার জন, অন্য সিটি করপোরেশনে তিন জন করে নির্বাহী হাকিম নিয়োজিত থাকবেন।
এর আগে গত ১৫ নভেম্বর দেশের সংসদীয় আসনগুলোর জন্য ৩০০ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা দিয়ে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
ইসির ঘোষিত তফসিল অনুয়ায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ভোট গ্রহণ হবে সাত জানুয়ারি। মোতায়েন করা হবে সেনাবাহিনীও। এদিকে ২০ থেকে ২৫ রাজনৈতিক দল ভোটে আসার কথা জানা গেলেও বিএনপির ভোটে আসার ব্যাপারটি এখনও আলোচনায়। তবে ইসি জানিয়েছে, বিএনপি যদি ভোটে আসতে চায় তাহলে আইন অনুযায়ী তফসিল পরিবর্তন করা হবে। কিন্তু বিএনপি নির্বাচনে আসার সিদ্ধান্ত নিলেও ভোট ২৮ জানুয়ারির মধ্যেই করতে হবে।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই এক থেকে চার ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি পাঁচ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে পাঁচ জানুয়ারি সকাল আট পর্যন্ত।
নির্বাচনকে বিতর্কিত করা বিএনপির সিদ্ধান্ত হলে ইসি কী করবে?