টাঙ্গাইল-৫ আসনে বর্তমান এমপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন ও আওয়ামী লীগের সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ, ছানোয়ার হোসেনের সমর্থকদের ছোড়া গুলিতে যুবলীগ নেতাসহ তিন জন আহত হয়েছেন। তবে এমন ঘটনা অস্বীকার করেছেন স্থানীয় এমপি। সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে তিনি বলেছেন, হেয় করতে এমন নাটক সাজানো হয়েছে।
রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের যুগনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন- বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান রোকন, কর্মী সিয়াম ও রোকন মিয়া।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী মামুনুর রশীদ জানান, রাতে বাঘিলে নৌকার পক্ষে তার সমর্থকরা মিছিল বের করে। এসময় বর্তমান এমপি ছানোয়ার হোসেনের সমর্থকরা মিছিলে অতর্কিত গুলি চালায়। এতে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজন আহত হয়েছে। তাদের টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় এমপি ছানোয়ার হোসেন একাত্তরকে বলেন, নৌকার মিছিলে গুলি হয়েছে এমন ঘটনা আমার জানা নেই। তবে গত রাতে ওই এলাকার আমার নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়েছে। রাত ১১টায় নৌকার মিছিলে গুলি করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু আমার লোকজন দেখেছে, সেখানে মিছিলের কিছু ছিল না। ৫/৭টি মোটরসাইকেল নিয়ে মুখ ঢেকে কিছু লোক এসেছিল। আমার লোকজনও সেখানে ছিল। তারা যদি গুলিই করতো তাহলে সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকবে কেন! পরে পুলিশ তাদের সঙ্গে নিয়ে আলামত সংগ্রহ করে কথা বলার জন্য থানায় নিয়ে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে। গুলিতে তিন জন আহত দাবি করা হলেও কার কোথায় গুলি লেগেছে এমন তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আমি দুই বারের নির্বাচিত এমপি। নৌকা প্রতীক না পেয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে ভোটের মাঠে আছি। আমাকে হেয় করতে এমন নাটক সাজানো হয়ে থাকতে পারে।
তার আরও অভিযোগ, গত দুই বার নৌকা প্রতীকে লড়ার সময়ও অভিযোগকারীরা আমার বিপক্ষে ছিল।
এ বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ লোকমান হোসেন জানান, ঘটনাস্থল থেকে দুই রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার ও দুই জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে টাঙ্গাইল-৫ আসনে এমপি নির্বাচিত হন ছানোয়ার হোসেন। তবে এবার তাকে সরিয়ে ওই আসনে মামুনুর রশিদকে নৌকার মাঝি করেছে আওয়ামী লীগ।
