শরীয়তপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ শওকত আলীর নির্বাচনী মিছিলে বোমা হামলায় হয়েছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা গুরুতর।
শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে নড়িয়া উপজেলার কদমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে নড়িয়া পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগের সভাপতি নজরুল খলিফা (৪৭), মন্নান বেপারী (৬৫), রশিদ চৌকিদার (৪৫), নজরুল বেপারী (৪০), সুমন মোড়ল (৩০), মহিউদ্দিন বেপারী (৩৮), আবদুর রহিম (৩৬) ও নজরুল ইসলাম সরদারের (৬০) পরিচয় পাওয়া গেছে।
যুবলীগ নেতা নজরুল খলিফা জানান, সন্ধ্যায় খালেদ শওকত আলীর সমর্থকরা একটি মিছিল নিয়ে পৌরসভার বাঁশতলা এলাকা থেকে মুলফৎগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় মিছিলটি মুলফৎগঞ্জ ব্রিজের কাছাকাছি এলে নৌকার পোস্টার লাগানো একটি সাদা মাইক্রোবাস থেকে মিছিলে কয়েকটি হাত বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এরপর তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঈগল প্রতীকের সমর্থকদের ওপর হামলা করে। হামলায় আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নড়িয়ার বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঈগল প্রতীকের প্রার্থী খালেদ শওকত আলী অভিযোগ করে বলেন, পরিকল্পিতভাবে আমার সমর্থকদের মিছিলে ককটেলসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করা হয়েছে। এতে ১৫ জন আহত হলেও গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন পাঁচজন। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী একেএম এনামুল হক শামীম এ হামলা করিয়েছেন।
জানতে চাইলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী একেএম এনামুল হক শামীমের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও নড়িয়া পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাঁশতলাতে ঈগল প্রতীকের সমর্থকরা নিজেরা নিজেদের বোমা হামলায় আহত হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। এ ঘটনার সঙ্গে নৌকার নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা নেই।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মাহবুবুল আলম বলেন, বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা শুনেছি। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা নিয়ে আইনের আওতায় আনা হবে।
রণে ভঙ্গ দিয়ে কাঁচির পক্ষে গেলেন ঈগল প্রার্থী