প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১০ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী পহেলা মার্চ থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিত্যপণ্যের সরবরাহ ও দাম নির্ধারণ নিয়ে জাতীয় টাস্কফোর্সের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।
তিনি বলেন, সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। পহেলা মার্চ থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
নতুন দামে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৪৯ টাকায়। আর বোতলজাত প্রতি লিটার বিক্রি হবে ১৬৩ টাকা করে।
এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৫ টাকা কমিয়ে ১৬৯ টাকা করা হয়।
তবে গত মাসে কোনো ঘোষণা না দিয়েই ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। তখন প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলে ১০ টাকা বাড়িয়ে ১৭৩ টাকা করা হয়।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন নির্ধারণ করা দাম ১৫ মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে। তারপর ফের বৈঠক করে দামের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আর এরপর এপ্রিল থেকে প্রতিমাসের ১৫ তারিখে নতুন করে নির্ধারণ করা হবে সয়াবিন তেলের দাম।
এদিকে রোজার সময় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে এক কোটি পরিবারকে সহায়তা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আহসানুল ইসলাম টিটু। বলেন, টিসিবির মাধ্যমে রমজানে এক কোটি পরিবারবে দুইবার করে চাল, ডাল, চিনি, সোলা ও খেজুর ভর্তুকি দামে দেওয়া হবে।
আর এর ফলে বাজারে পণ্যের দামে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও মনে করছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আইন দিয়ে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না। সদিচ্ছা আর সরবরাহ ঠিক রেখে বাজার ব্যবস্থা ঠিক রাখতে চায় সরকার।
সীমিত আকারে বাংলাদেশসহ ছয় দেশে পেঁয়াজ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উদ্দেশ্যে সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ রপ্তানির এই অনুমতি।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির বিষয়ে ভারত নীতিগত সমর্থন দিয়েছে। মিয়ানমার থেকেও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য যেনো সহজে আনতে পারি তা নিয়ে কাজ চলছে। চাল, ডাল, আদা ও পেঁয়াজ মিয়ানমার থেকেও আনতে পারবো।
বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির সিদ্ধান্ত ভারতের