পাকিস্তানে নতুন সরকার গঠনে নওয়াজ-শাহবাজের পিএমএল-এন ও বিলওয়াল ভুট্টোর পিপিপি’র মধ্যে সমঝোতার খবরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই বলেছে, এই দুই দলের কাউকেই সরকার গঠনের রায় দেয়নি দেশের নাগরিকরা।
দু’দিন আগেই সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলের সাথে জোট গঠনের ঘোষণা দেয়া ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ জানিয়েছে, পিএমএল-এন ও পিপিপি দীর্ঘ ৩০ বছর একসঙ্গে চলেছে, যার জন্য তারা প্রশংসার দাবিদার। এ পুরো সময়টা তারা যৌথভাবে করদাতাদের অর্থ ও নির্বাচনের ফল চুরি করেছে।
মাইক্রো ব্লগিং সাইট- এক্সে পিটিআই লিখেছে, ব্যাপক কারসাজি ও নির্বাচনী জালিয়াতির মাধ্যমে দেশে একটি ঝুলন্ত সংসদ তৈরি করে পাকিস্তানের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ব্যর্থ জোট সরকার চাপিয়ে দিলে বাস্তবতা বদলাবে না; জনগণের পছন্দ ইমরান খান!
পিএমএল-এন এবং পিপিপি জোটের উদ্দেশ্য পিটিআই নেতা আসাদ কায়সার বুধবার বলেছেন, নূন্যতম চক্ষু লজ্জা থাকলে তাদের উচিৎ জনগণের রায়ের প্রতি শ্রব্ধা দেখিয়ে সরকার থেকে সরে যাওয়া। এটি হবে দেশে আগের সরকারের দ্বিতীয় সংস্করন, যার কর্মকাণ্ড জনগণ ভোটের মাধ্যমে প্রত্যাখাত করেছে।
পিটিআই প্রধান ইমরান খানের সঙ্গে আদিয়ালা কারাগারে দেখা করে আসার পর জেলগেটের বাইরে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় আসাদ কায়সার বলেন, শাহবাজ শরীফ নির্বাচনে সংখ্যালঘু হিসাবে বিবেচিত হয়েছেন এবং সরকার প্রধানের পদে তাকে জনগণ দেখতে চায় না, সেটা ভোটের ফলেই প্রমাণিত।
তিনি বলেন, পিপিপি নিজেই বলছে সরকার গঠনের ম্যান্ডেট তাদেরকে দেয়নি জনগণ। অথচ তাদের সমর্থন নিয়েই শাহবাজ শরীফ সরকার প্রধানের হতে যাচ্ছে। আবার সিনেট চেয়ারম্যানের পদেও বসতে যাচ্ছে পিপিপি। এটি পাকিস্তান জাতির জন্য একটি দুঃখজনক ঘটনা।
পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী ২৯ ফেব্রুয়ারি নতুন পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ওই দিনই দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী বাছাইয়ের ভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
