যেভাবে এলো নারী দিবস, কেনো হলো বেগুনি রঙ

আপডেট : ০৮ মার্চ ২০২৪, ০২:৫০ পিএম

মানুষ হিসেবে প্রাপ্য অধিকারের দাবিতে সুদীর্ঘকাল থেকে লড়তে হচ্ছে সারা বিশ্বের নারীদের। তারপরও ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত। প্রতিবছর ৮ মার্চ বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। লিঙ্গ বৈষম্য দূর করে নারীর প্রতি সম্মান ও সমানাধিকারের বার্তা জানাতেই দিবসটি উদযাপিত হয়। কিন্তু এই দিনটি শুরুর রয়েছে এক সুদীর্ঘ ইতিহাস।

কেবলই নারী নই, আমিও মানুষ; এই সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে আজন্ম লড়াই করে আসছে সারা পৃথিবীর নারীরা। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে আজও বিশ্বের নানা জায়গায় চলছে নারী পুরুষের বিভেদের অসম লড়াই । বিশ্বের নানা প্রান্তে নারীরা অত্যাচারিত, লাঞ্ছিত। কর্মক্ষেত্রে বিভেদের বিরুদ্ধে ও সমঅধিকারের দাবি নিয়ে এক সময় শুরু হয়েছিলো যে লড়াই; সেটাই একসময় সংঘবদ্ধ বৃহত্তর আন্দোলনে পরিবর্তিত হয়। আজও সেই বিভেদের লড়াই জারি রয়েছে ।

১৯০৮ সালে একাধিক দাবি নিয়ে নিউইয়র্কের পথে নামে প্রায় ১৫ হাজারের বেশি নারী। কর্ম ঘণ্টা কমিয়ে আনা থেকে শুরু করে বেতন বৃদ্ধি, ভোটাধিকারসহ তাদের নানা দাবি দাওয়া ছিলো। সেই আন্দোলনের এক বছরের মাথায় ১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি  জাতীয় নারী দিবস পালনের ঘোষণা দেয় আমেরিকার সোশ্যালিস্ট পার্টি।

ক্লারা জেটকিন। সংগৃহীত ইমেজ।

তবে এই দিবসকে আন্তর্জাতিকভাবে পালনের চিন্তাটা মাথায় আসে নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা আইনজীবী ও সমাজতান্ত্রিক কর্মী ক্লারা জেটকিনের।

তিনি এটা জানান ১৯১০ সালে কোপেনহেগেনে নারী শ্রমিকদের এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে। সেখানে ক্লারা প্রতি বৎসর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। সম্মেলনে ১৭টি দেশের ১০০ জন নারী উপস্থিত ছিলেন এবং তারা সর্বসম্মতিক্রমে ওই প্রস্তাব মেনে নেন।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সবকিছু আনুষ্ঠানিক রূপ পায় ১৯৭৫ সালে, যখন জাতিসংঘ এটা উদযাপন করতে শুরু করে। ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৮ মার্চ দিনটিকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

প্রতিবছরের মতো এ বছরও আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জাতিসংঘের থিম হলো, ‘নারীদের উপর বিনিয়োগ করুন, দ্রুত উন্নতি আনুন’। এর মাধ্যমে লিঙ্গ সমতা আনতে যে যথেষ্ট অর্থ বিনিয়োগ করা হচ্ছে না, সেই বিষয়টাতে মনোযোগ দেয়া হয়েছে।

সব দিবসেরই নিজস্ব রং থাকে, সেসব রঙের পেছনে লুকিয়ে থাকে কোনো না কোনো ইতিহাস। নারী দিবসের প্রতীক হলো বেগুনি রং। এই রঙকে মনে করা হয় সুবিচার ও মর্যাদার প্রতীক। এটি নারীর জন্য একটি প্রতিবাদের রঙও বলা যায়।

আরবি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়ে তাঁর পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে এক বিরল ইতিহাস গড়েছেন। এ বিশ্ব সংস্থার সাধারণ বিতর্কের ৮১তম অধিবেশনে তিনি তাঁর প্রথম ভাষণ দেন।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে নারী নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় অদম্য নারী পুরস্কার কার্যক্রমের আওতায় গণতন্ত্রের মানসকন্যা বেগম খালেদা জিয়াকে 'গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী'...
ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য করে তুলতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সৌদি আরবে সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি নারী ও পুরুষের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত...
দেশে হাম ও হামের উপসর্গের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরজুড়ে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১...
দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতি অব্যাহত রয়েছে। কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ও মৃত্যুর মিছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এ রোগে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর