রাজধানীর সদরঘাটে পন্টুনের সঙ্গে বেঁধে রাখা একটি লঞ্চের রশি ছিঁড়ে পাঁচজন নিহত হওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। পাশাপাশি ঘটনা সংশ্লিষ্ট দুই লঞ্চের রুট পারমিট বাতিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে বিআইডব্লিউটিএ’র পরিচালক (ক্রয় ও সংরক্ষণ) মো. রফিকুল ইসলামকে। সদস্য হিসেবে কমিটিতে আছেন নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. আজগর আলী এবং বন্দর শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. কবীর হোসেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার ঈদের দিন দুপুরে সদরঘাটে পন্টুনের সঙ্গে বেঁধে রাখা একটি লঞ্চের রশি ছিঁড়ে নারী-শিশুসহ অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
নৌ পুলিশের সদরঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ জানান, দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা-ভোলা রুটের লঞ্চ এমভি তাশরিফ-৪ এ উঠছিলেন যাত্রীরা। এসময় এমভি ফারহান নামের আরেকটি লঞ্চ তাশরিফে ধাক্কা দেয়। এই ধাক্কায় লঞ্চের রশি ছিঁড়ে নদীতে পড়ে যান লঞ্চে উঠতে থাকা পাঁচ যাত্রী। পরে তাদের মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, নিহতদের মধ্যে একজন নারী, তিনজন পুরুষ ও একটি শিশু রয়েছে। এছাড়া গুরুতর আহত দুইজনকে সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিডফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর এমভি ফারহান ও এমভি তাসরিফ-৪ এর রুট পারমিট বাতিল করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন সংস্থাটির নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক জয়নাল আবেদীন।
সদরঘাটে দুর্ঘটনায় দোষীদের শাস্তি হবে: নৌ প্রতিমন্ত্রী
সদরঘাটে লঞ্চের রশি ছিঁড়ে নারী-শিশুসহ নিহত পাঁচ