অবৈধ পথে ব্রিটেনে প্রবেশ করলেই পাঠিয়ে দেয়া হবে রুয়ান্ডা, সোমবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের এমন প্রস্তাব পাশ হয়েছে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে।
২০২২ সালের চুক্তি অনুযায়ী, ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার অভিবাসন প্রত্যাশীকে রুয়ান্ডা পাঠাবে যুক্তরাজ্য, বিনিময়ে রুয়ান্ডাকে দেবে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা। বিতর্কিত এ বিলটির বিরোধিতা করছে ব্রিটেনের মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক প্রস্তাবিত বিতর্কিত রুয়ান্ডা বিল অবশেষে আইনে পরিণত হচ্ছে। এই আইনের মাধ্যমে এখন থেকে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ব্রিটেনে প্রবেশ করলেই পাঠানো হবে রুয়ান্ডা।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলছেন, ১০ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে অভিবাসন প্রত্যাশীদের নিয়ে ফ্লাইটগুলো রুয়ান্ডার উদ্দেশে রওনা করবে।
যুক্তরাজ্যে শরণার্থী প্রত্যাশী ২৯ বছর বয়সী আফগান নাগরিক আমিন ইতিমধ্যে রুয়ান্ডা যাওয়ার চিঠি পেয়েছেন, অবৈধ পথে গত বছর তিনি ব্রিটেনে প্রবেশ করেছিলেন।
আমীন বলেন, আমি ভেবেছিলাম যুক্তরাজ্যই আমার চূড়ান্ত গন্তব্য হচ্ছে, কিন্তু এখন রুয়ান্ডা যাওয়ার চিঠি পাওয়া আমার জন্য খুবই দুঃসংবাদ ও বিপজ্জনক!
দুই বছর আগে যুক্তরাজ্য সরকার দুইটি ফ্লাইটে ১৩০ জন শরণার্থী প্রত্যাশীকে রুয়ান্ডা পাঠাতে চেয়েছিলো আর রুয়ান্ড বিলটি যখন পাশ হলো তখন ব্রিটেনের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ বলেছে, গত পাঁচ বছরে অবৈধ পথে ব্রিটেন প্রবেশ করা শরণার্থী প্রত্যাশীর সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। বিপুল সংখ্যক এই শরণার্থীদের রুয়ান্ডা পাঠাতে হলে যুক্তরাজ্যকে প্রায় তিন শতাধিক ফ্লাইট পরিচালনা করতে হবে।
মানবাধিকার সংগঠন ও ব্রিটিশ আইনজীবীদের বিরোধিতার পরও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলছেন, নৌকা দিয়ে ব্রিটেনে আসা না থামা পর্যন্ত, শরণার্থী প্রত্যাশীদের রুয়ান্ডা পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।
দুর্নীতির অভিযোগে রুশ উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্রেপ্তার