টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বের সবগুলো ম্যাচেই হচ্ছে ক্যারিবিয় দ্বীপপুঞ্জে। আর সেখানে এখন চলছে বর্ষাকাল। ফলে প্রতিদিনই ওয়েস্ট ইন্ডিজের আকাশে থাকে মেঘের ঘনঘটা। কখনও কখনও ভোগায় বৃষ্টিও। ফলে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচকে ঘিরেও জোর আলোচনায় সেখানকার আবহাওয়া।
একদিনের বিরতি শেষেই শনিবার মাঠে ফিরছে বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া। খেলাটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময়ে রাত সাড়ে আটটায়। আর ম্যাচের ভেন্যু অ্যান্টিগা, যেখানে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে এই পর্বের প্রথম ম্যাচ খেলে ছিলো টাইগাররা। বৃষ্টি আইনেই ম্যাচতে হারজিৎ নির্ধারতি হয়। দ্বিতীয় ম্যাচেও কি বৃষ্টি?
বিভিন্ন আবহাওয়া ওয়েবসাইটের পূর্বাভাস বলছে, শনিবারের ম্যাচেও ভিলেন হতে পারে বৃষ্টি। অ্যান্টিগার নর্থ সাউন্ডের স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে বৃষ্টি কিছুটা হলেও ম্যাচে বাঁধার সৃষ্টি করতে পারে। ক্যারিবিয়ান দ্বীপে এখন বর্ষাকাল, তাই অ্যান্টিগা হোকা বা বার্বাডোজ আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বৃষ্টির ভ্রুকুটি থাকছেই।
স্থানীয় সময় সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টার মধ্যে ম্যাচটি শেষ হওয়া উচিত। কিন্তু সেটি হচ্ছে কি? সকালে বিক্ষিপ্ত বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা স্থানীয় সময় সকাল ১০ টা থেকে সকাল ১১.৩০ মিনিটের মধ্যে হতে পারে। সারাদিনই বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। ফলে বৃষ্টির জন্য ওভার কমলে বা ম্যাচ ভেস্তে যেতেও পারে।
আকুয়া ওয়েদার বলছে, ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচের সময় আকাশ মেঘলা থাকবে। বৃষ্টির সম্ভবনাও রয়েছে। তাপমাত্রা থাকবে ৩০-৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে বৃষ্টির যা পূর্বাভাস তাতে অ্যান্টিগায় রাতের দিকে ম্যাচে সমস্যা হতে পারে। যেহেতু ম্যাচটি স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় হবে, তাই বৃষ্টি সমস্যা তৈরি করতে পারবে না বলে মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ওভার কমলেও ম্যাচ পুরো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সুপার এইটের ম্যাচের জন্য কোন রিজার্ভ ডে রাখা হয়নি। ফলে ম্যাচটি ভেসে গেলে দুই দলই পাবে একটি করে পয়েন্ট। ম্যাচ একান্তই ভেস্তে গেলে এটি গ্রুপ ১-এ সেমিফাইনালের লড়াইকে আকর্ষণীয় করে তুলবে কারণ ভারত পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ার সাথে এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।
ভারতের বিরুদ্ধে সুযোগ কাজে লাগাতে চায় টাইগাররা